kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৭ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) পুরনো বোর্ড অব ট্রাস্টির কয়েকজন শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পুরনো বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির ও সাতকানিয়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ ন ম শামসুল ইসলাম, অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও জামায়াতের আইআইইউসি শাখার আমির মাহবুবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে।

অতিসম্প্রতি আইআইইউসি মেয়াদ উত্তীর্ণ বোর্ড অব ট্রাস্টি পরিবর্তন করে নতুন কমিটি গঠন করেছে সরকার। নতুন গঠিত বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভীকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থপাচার বা আত্মসাতের বিষয়ে বোর্ড অব ট্রাস্টির বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, ‘সরকার আমাদের দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খেতে হয়েছিল। অথচ অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আইআইইউসিরও টাকা উদ্বৃত্ত থাকার কথা। তাই আমরা অডিট কমিটি গঠন করেছি। কমিটি গত ৯ মাসের হিসাব অডিট করে দুই কোটি ৬৭ লাখ টাকা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে। এখনো অনেক হিসাব বাকি রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী হলেন আ ন ম শামসুল ইসলামের বেয়াই। মীর কাসেম আলীর ভাই ও শামসুল ইসলামের ছেলে দেশের বাইরে থাকেন। তাঁদের মাধ্যমে এই টাকার একটি অংশ শামসুল ইসলাম বিদেশে পাচার করতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তা ছাড়া অডিটে যাঁদের বিরুদ্ধে অনিয়মের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে—তাঁদের নামে মামলা করা হবে।’ এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য আ ন ম শামসুল ইসলাম ও আহসান উল্লাহর সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।



সাতদিনের সেরা