kalerkantho

রবিবার। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৬ মে ২০২১। ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

ওয়ার্ড বয়কে মারধর দেড় ঘণ্টা বন্ধ সেবা

নাটোর সদর হাসপাতাল

নাটোর প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোগীর স্বজনরা বেশ শোরগোল করছিলেন। তাই তাঁদের ‘থামতে’ বলেন ওয়ার্ড বয় সেলিম প্রামাণিক। এর জেরে রোগীর স্বজনরা তাঁকে মারধর করেন। গতকাল শনিবার নাটোর সদর হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে। এ অবস্থায় দেড় ঘণ্টা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হন অন্য রোগী ও তাঁদের সঙ্গে আসা স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা ক্ষমা চাইলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

জানা যায়, করোনার উপসর্গ থাকায় মনোয়ারা বেগমকে গতকাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাসপাতালটিতে নেওয়া হয়। তিনি জেলা শহরের ওপর বাজার এলাকার সেলিম মিয়ার স্ত্রী। তবে তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানাস্তর করা হয়। রামেক হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে উপলসহ রোগীর তিন স্বজন মিলে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এক পর্যায়ে কটূক্তি করতে থাকেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ওয়ার্ড বয় সেলিম তাঁদের ‘থামতে’ বলেন। এতে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে সেলিমকে মারধর করেন। এ সময় তাঁর সহকর্মী ও নার্স মিলে চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধ করে দেন। শুধু তা-ই নয়, রোগীর স্বজনদের আটক রাখেন। এ সময় তাঁরা উপলকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রোগীর স্বজনদের উদ্ধার করে। এক পর্যায়ে তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চান। সকাল ১১টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে। 

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক পরিতোষ কুমার ঘোষ বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। চিকিৎসাসেবা অব্যাহত আছে।’

নাটোর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল মতিন বলেন, ‘রোগীপক্ষ দোষ স্বীকার করে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছে। উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।’