kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

অবৈধভাবে গাছ কাটলেন শিক্ষক

নাটোর প্রতিনিধি   

১০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোরের লালপুরে নিয়মবহির্ভূতভাবে উচ্চ বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ কাজে তাঁকে সহায়তা করেন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী।

এ ব্যাপারে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন নান্দরায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম।

অভিযুক্তরা হচ্ছেন নান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান ও উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন।

অভিযোগের অনুলিপি লালপুর উপজেলা পরিষদ, জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা বন কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়েছে।

নান্দরায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম তাঁর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, নান্দরায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমির ওপর নান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ এবং বিদ্যালয় চত্বরের বড় বড় গাছ অনৈতিকভাবে কেটে ফেলার লক্ষ্যে গত বুধবার দুপুরে এক জরুরি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন জোর গলায় বলেন, গাছ কেটেই ভবন নির্মাণ করা হবে। এর পরেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান শ্রমিক লাগিয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন আটটি মেহগনিগাছ কাটতে শুরু করেন, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় পাঁচ লাখ টাকা।

তবে গাছ কাটার অভিযোগ অস্বীকার করে নান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমি এখানে চাকরি করতে এসেছি। আমি কেন গাছ কাটার হুকুম দেব? তবে যারাই কাটুক—সেটা নিয়মবহির্ভূতভাবে কেটেছে। আমি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমি গাছ কাটার হুকুম দিইনি। শিক্ষা অফিস আর বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তেই গাছ কাটা হয়েছে।’

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মুল বানীন দ্যুতি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এক প্রতিষ্ঠানের সম্পদ অন্য প্রতিষ্ঠান কখনোই নষ্ট করতে পারে না। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’