kalerkantho

রবিবার । ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮। ১ আগস্ট ২০২১। ২১ জিলহজ ১৪৪২

স্বামী প্রবাসী, পাকা বাড়ি এর পরও ভিজিডিধারী

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বামী সৌদিপ্রবাসী প্রায় ২০ বছর। মাসে টাকা পাঠান মোটা অঙ্কের। বিশাল সহায়-সম্পদের মালিক। আধাপাকা বিশাল চৌচালা ঘর ছাড়াও রয়েছে পাকা ঘাটের পুকুর। ঈদুল আজহায় কোরবানি, ঈদুল ফিতরে ফিতরা দেন নিয়মিত।

অথচ এই বাড়ির গৃহকর্ত্রী মোছা. সামছুননাহারের (৩৫) নামে হয়েছে ভিজিডি (ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট) কার্ড, যা পাওয়ার কথা দুস্থ ও অসহায় নারীর। এ ঘটনা ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা সাভার গ্রামের। গত রবিবার প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে।

মো. এমদাদুল হকের স্ত্রী সামছুননাহার দাবি করেন, কার্ডটি তাঁর নামে থাকলেও এর সুবিধা তিনি নেন না। সুবিধাভোগীর নাম জানতে চাইলে তিনি তাঁর জা আনোয়ারা খাতুনকে দেখিয়ে দেন। আনোয়ারার নাম তো বিধবা ভাতার তালিকায়ও রয়েছে। একই ব্যক্তি তো সরকার প্রদত্ত দুই সুবিধা নিতে পারেন না। তাহলে আপনারা কিভাবে নিচ্ছেন—প্রশ্ন করা হলে উল্লিখিত দুই নারী নিরুত্তর থাকেন। আরেক প্রশ্নের উত্তরে সামছুননাহার বলেন, প্রতিবেশী আওয়ামী লীগ নেতা আবুল মনসুর তাঁদের দুজনের নামে কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

বাড়িতে গিয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আবুল মনসুর বলেন, ‘এ ধরনের কাজ প্রতি ইউনিয়নে হচ্ছে। প্রবাসীর স্ত্রীর নামে ভিজিডি কার্ড থাকলে ক্ষতি কী।’

এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা রাশিদা রহমান জানান, বিষয়টি তালিকা হওয়ার পর জানতে পেরেছেন। এখন তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা