kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

নন্দীগ্রাম থেকে ফেরত গেল ১০০০ ডোজ করোনার টিকা

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনার টিকা নিতে চাইলে কী করতে হবে, কোথায় নিতে হবে তা অনেকেই জানেন না। কেউ কেউ আবার সব জেনেও ইচ্ছা করেই টিকা নিচ্ছেন না। এ অবস্থায় বগুড়ার নন্দীগ্রাম থেকে এক হাজার ডোজ টিকা ফেরত গেছে বলে জানা গেছে।

তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, টিকা ফেরত দেওয়া হয়নি। সদরে চাহিদা বেশি থাকায় সেখানে ধার দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আবার আনা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম ধাপে পাঁচ হাজার ৭৪০ ডোজ টিকা আসে। কিন্তু সদরে চাহিদা বেশি থাকায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সেখানে এক হাজার ডোজ টিকা পাঠানো হয়েছে।

টিকাদানের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুটি টিম গঠন করা হয়। প্রতিটি টিমে দুজন করে টিকাদানকর্মী ও চারজন করে স্বেচ্ছাসেবক আছেন। গত ৭ জানুয়ারি থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্যন্ত এক হাজার ৮০০ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। শুরুতে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ জন করে টিকা নিতে আসতেন।

কালিকাপুর গ্রামের ভ্যানচালক হযরত আলী জানান, কোথায় টিকা দিচ্ছে, কিভাবেই বা দিচ্ছে—এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। হযরত আলী, মামুন হোসেনের মতো এ উপজেলার অনেকেই জানেন না যে কোথায় টিকা দেওয়া হচ্ছে। তার ওপর টিকা নেওয়ার জন্য অনলাইনে আগে নিবন্ধন করতে হয়, কারো কারো কাছে যা ঝামেলার ঠেকছে। তা ছাড়া টিকা নিতে মানুষকে আগ্রহী করে তুলতে গণমাধ্যম ছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের তেমন কোনো প্রচারণা নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেনের দাবি, ‘করোনার টিকা ফেরত দেওয়া হয়নি। সিভিল সার্জনের নির্দেশক্রমে সদরে ধার দেওয়া হয়েছে। উপজেলায় সংকট দেখা দিলে আবার নিয়ে আসা হবে। এ উপজেলায় মানুষের আগ্রহ কম।’  এ সময় সবাইকে নির্ভয়ে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া শেষ হবে।’

মন্তব্য