kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

দুর্নীতির টাকা ফেরত

শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

৬ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এলজিএসপি, কাবিটা ও কর্মসৃজন প্রকল্পের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। ইউপি সদস্যদের সম্মানী ভাতাও ঠিকমতো পরিশোধ করছেন না। তাঁর দুর্নীতির বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, যা বিচারাধীন।

অভিযোগ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, জুয়েল আহমদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি শুরু করেন। তাঁর বিরুদ্ধে এলজিএসপি, কাবিটা, কর্মসৃজন প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শমশেরনগরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে দুদকের তদন্তে তাঁর দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ পায়। তা ছাড়া দুদকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পর ৪১টি প্রকল্পের মধ্যে ৯টি প্রকল্পের চার লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৭ টাকা সরকারি কোষাগারে জমাও দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ। আব্দুল গফুরের করা মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। এদিকে গত ৯ জানুয়ারি থেকে ইউপি সদস্যদের সম্মানী ভাতা পরিশোধ করছেন না চেয়ারম্যান। এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন সংরক্ষিত ওয়ার্ডের দুই নারী সদস্য। অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য শারমিন বেগম চৌধুরী বলেন, ‘২০১৮ সাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদের নিজ নিজ এলাকার রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো উন্নয়নে কাবিখা প্রকল্প ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সার-বীজ বরাদ্দ পাইনি।’

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে অভিযোগ দেওয়ার পর চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ রাজস্ব খাতে টাকা জমা দিয়েছেন। এতে তাঁর দুর্নীতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।’ অভিযোগের বিষয়ে শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ বলেন, ‘আমার নামে কোনো মামলা হয়নি। আদালত তা খারিজ করে দিয়েছেন।’ মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন।

 

মন্তব্য