kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

প্রতিবন্ধীকে মারলেন মেম্বার

ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিবন্ধীকে মারলেন মেম্বার

লাঠি হাতে প্রতিবন্ধীকে মারধর করছেন ইউপি সদস্য নাজমা বেগম। ছবি : সংগৃহীত

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় মোবাইল ফোনসেট চুরির অপবাদ দিয়ে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে বেঁধে এক প্রতিবন্ধীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার করা মারধরের একটি ভিডিও ফেসবুকেও ভাইরাল হয়েছে। মারধরের শিকার প্রতিবন্ধী আব্দুল কাদের (৩২) উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের মৃত মোতালেব চৌকিদারের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্ত নাজমা বেগম উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

ভিডিওতে দেখা যায়, ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে দঁড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে কাদেরকে। আর তাঁকে গালাগাল করছেন ইউপি সদস্য নাজমা বেগম। একই সঙ্গে লাঠি দিয়ে মারধর করছেন।

স্থানীয় লোকজন জানায়, আব্দুল কাদের একটি সহজ-সরল ছেলে। বেশ কয়েক বছর আগে শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর পিঠে তিনটি অপারেশন হয়। এর পর থেকে অনেকটা পাগলের মতো হয়ে যান তিনি। দুই-তিন দিন আগে স্থানীয় ওমর আলী নামের এক ব্যক্তির মোবাইল ফোনসেট হারিয়ে যায়। সেই মোবাইল রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পান কাদের। গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানতে পেরে ওমর আলী ইউপি সদস্য নাজমা বেগমের কাছে এ ব্যাপারে নালিশ করেন। এ ঘটনায় একই দিন চুরির অপবাদ দিয়ে আব্দুল কাদেরকে বাড়ি ডেকে এনে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন ইউপি সদস্য নাজমা বেগম।

মারধরে শিকার আব্দুল কাদের জানান, মোবাইলটি রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছেন তিনি। কাদেরের মা বলেন, ‘জন্মের পর থেকে কাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাঁর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানোর ঘটনায় বিচার চাই।’ অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নাজমা বেগম বলেন, ‘চুরির ঘটনাটি জানার জন্য আমি ছোট একটা লাঠি নিয়ে কাদেরকে ভয় দেখিয়েছি মাত্র।’ ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মর্তুজা আল মুঈদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

মন্তব্য