kalerkantho

সোমবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭। ১ মার্চ ২০২১। ১৬ রজব ১৪৪২

নাটোর

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে দুর্গন্ধ

নাটোর প্রতিনিধি   

১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোর শহরতলির বনবেলঘড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে শফিকুল ইসলাম নামের ওএমএস ডিলারের বিরুদ্ধে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নষ্ট চাল সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, চাল নেওয়ার সিরিয়ালে দাঁড়াতে ২০ টাকা করে টোকেন সংগ্রহ করতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

ভুক্তভোগীদের কয়েকজন জানান, নাটোরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে দীর্ঘদিনের পুরাতন, পচা-দুর্গন্ধযুক্ত ও পোকা ধরা নষ্ট চাল ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর এসব চাল নাটোর সদর খাদ্যগুদাম থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিলারের নিয়োজিত লোকজন।

চকবৈদ্যনাথ এলাকার দিনমজুর পরিবারের কয়েকজন গৃহবধূ অভিযোগ করেন, গত শনিবার সকালে শহরের বনবেলঘড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একজন ওএমএস ডিলার ৩০ টাকা কেজি দরে জনপ্রতি ১০ কেজি করে নষ্ট চাল গুছিয়ে দেন দরিদ্রদের। এসব চাল বাসায় নিয়ে রান্নার পর মুখে দেওয়া যাচ্ছে না। রান্না করা ভাত থেকে দুর্গন্ধ আসে। আবার এসব চাল গরু-ছাগলকে দিলেও খাচ্ছে না।

আব্দুল হামিদ (৫৫), আব্দুস সালাম (৪২), ছখিনা খাতুনসহ (৪৬) একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বর্তমানে যে চালগুলো দেওয়া হচ্ছে—তা পচা-দুর্গন্ধযুক্ত ও নষ্ট। সেগুলো খাওয়ার একেবারেই অনুপযোগী। বিষয়গুলো নিয়ে প্রতিবাদ করলেও কোনো লাভ হয় না।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ডিলার শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলে ধরেননি তিনি। নাটোর সদর উপজেলা খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার শফিকুল ইসলামের পয়েন্টে যেসব চাল দেওয়া হয়েছে—তা অনেক ভালো। তা ছাড়া নিম্নমানের কোনো চাল সদর খাদ্যগুদামে নেই।’

জেলা খাদ্য সদর কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার মণ্ডল বলেন, এ ব্যাপারে তাঁর কাছে এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা