kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ মাঘ ১৪২৭। ২১ জানুয়ারি ২০২১। ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি

২২ কর্মকর্তা জেলে

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

১৪ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২২ কর্মকর্তা জেলে

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কর্মকর্তাদের গতকাল কারাগারে নেওয়া হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া খনি থেকে ২৪৩ কোটি টাকার বেশি কয়লা চুরির ঘটনায় সাবেক ছয় এমডিসহ ২২ কর্মকর্তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। গতকাল বুধবার দুপুরে জেলার স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল করিম এই নির্দেশ দেন।

জেলার কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক ইসরাইল হোসেন জানান, আসামিরা আদালতে এসে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তাঁদের জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

আসামিরা হলেন সাবেক ছয় এমডি মো. আব্দুল আজিজ খান, প্রকৌশলী খুরশিদ আলম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, মো. আনিসুজ্জামান, প্রকৌশলী এস এম নুরুল আওরঙ্গজেব ও প্রকৌশলী হাবিব উদ্দীন আহমেদ, সাবেক মহাব্যবস্থাপক শরিফুল আলম, মো. আবুল কাশেম প্রধানিয়া, আবু তাহের মো. নুরুজ্জামান চৌধুরী, ব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমান হাওলাদার, মো. আরিফুর রহমান ও সৈয়দ ইমাম হাসান, উপব্যবস্থাপক মো. খলিলুর রহমান, মো. মোর্শেদুজ্জামান, মো. হাবিবুর রহমান, মো. জাহিদুর রহমান, সহকারী ব্যবস্থাপক সত্যেন্দ্রনাথ বর্মণ, মো. মনিরুজ্জামান, কোল হ্যান্ডেলিং ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপক মো. সোহেবুর রহমান, উপমহাব্যবস্থাপক এ কে এম খাদেমুল ইসলাম, ব্যবস্থাপক অশোক কুমার হাওলাদার ও উপমহাব্যবস্থাপক মো. জোবায়ের আলী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বড়পুকুরিয়া খনি থেকে ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন কয়লা চুরি হয়। যার আনুমানিক দাম ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা ৮৪ পয়সা। এ ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আনিসুর রহমান বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেন। মামলাটি দুদকের তফসিলভুক্ত হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে হস্তান্তর হয়। তদন্ত করে আরো চারজনের সম্পৃক্ততা পান দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা। শেষে ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তিনি। কিন্তু চার্জশিট দাখিলের পর সাবেক এমডি মো. মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা