kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ মাঘ ১৪২৭। ২১ জানুয়ারি ২০২১। ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি নির্বাচন কমিশন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি নির্বাচন কমিশন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২১ ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে দুটি পক্ষ। দুই পক্ষই নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আলাদা দুটি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে।

জানা গেছে, মতানৈক্যের জেরে কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৫ জন সদস্যের মধ্যে আটজন ও সাতজনের দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সাতজনের পক্ষ গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও গঠনতন্ত্র ভঙ্গের অভিযোগ এনে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে। তবে তাদের এ নির্বাচন কমিশনকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থী বলছে আটজনের পক্ষটি। তাদের অভিযোগ, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হয়। তারা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতে গঠিত নির্বাচন কমিশনকে উপেক্ষা করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পরিষদের আটজন সদস্য ১৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে। সভায় রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম রায়হান উদ্দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নকীবুন নবী ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমানকে নির্বাচন কমিশনার করে কমিশন গঠন করে। সেই নির্বাচন কমিশন গত ২ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তবে গত বৃহস্পতিবার সমিতির সাতজনের অন্য পক্ষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঠিক রেখে নতুন আরেকটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে। এতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আইনুল হককে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এনামুল হক ও রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জুলহাস উদ্দিনকে নির্বাচন কমিশনার করা হয়।

সাতজনের পক্ষের নেতৃত্ব দেওয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘আমরা দেরি করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি। কিন্তু তারা মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে সভা ডেকে গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কাজ করেছেন।’ আটজনের পক্ষের নেতৃত্বে থাকা সমিতির সভাপতি রশিদুল ইসলাম শেখ বলেন, ‘নিয়মতান্ত্রিকভাবে ৩০ নভেম্বর গঠন হওয়া কমিশনকে উপেক্ষা করে তারা অবৈধভাবে আরেকটি কমিশন গঠন করেছে। এ ছাড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভা আহ্বানের ক্ষেত্রে সভাপতির পরামর্শ নিতে হয়—তাও নেয়নি তারা। এ ছাড়া আমি ক্যাম্পাসে থাকার পরও আমার স্বাক্ষরকে তারা জালিয়াতি করেছে, এটি অপরাধ।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ‘এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা