kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ মাঘ ১৪২৭। ২১ জানুয়ারি ২০২১। ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

শায়েস্তাগঞ্জ পৌর নির্বাচন

আ. লীগ প্রার্থীর পথের কাঁটা চার বিদ্রোহী

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রতাশী ছিলেন সাত প্রার্থী। সম্প্রতি তাঁদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. মাসুদউজ্জামান মাসুক। তিনি তিনবারের কাউন্সিলরও। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জন্যই তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

তবে বর্তমান পৌর মেয়র মো. ছালেক মিয়াসহ চারজন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সুবিধাজনক অবস্থায় আছে বিএনপি। দলটির একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে আছেন পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এফ আহমেদ অলি। তফসিল ঘোষণার আগেই তাঁকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. সারোয়ার আলম শাকিল।

তবে সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিকেই মেয়র হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। প্রসঙ্গত, এ পৌরসভায় মোট ১৭ হাজার ৯৬১ জন ভোটার আছেন। তাঁদের মধ্যে ৯ হাজার ১২৬ জন নারী আর আট হাজার ৮৩৫ জন পুরুষ।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে এ বছর আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ছালেক মিয়া, মাসুদউজ্জামান মাসুক, মো. আতাউর রহমান মাসুক, মো. ফজল উদ্দিন তালুকদার, মো. আবুল কাশেম শিবলু, মো. রাহেল মিয়া সরদার ও মো. ইমদাদুল ইসলাম শীতল। কিন্তু তাঁদের সবাইকে পেছনে ফেলে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন মাসুদউজ্জামান মাসুক। তবে বর্তমান পৌর মেয়র ছালেক মিয়াসহ আতাউর রহমান, ফজল উদ্দিন ও আবুল কাশেম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

ওয়ার্কশপ এলাকার ভোটার আব্দুল কাদির অভিযোগ করেন, ‘বিগত সময়ে এখানে অনেক লুটপাট ও দুর্নীতি হয়েছে। এ নিয়ে অনেক অভিযোগ (করা) হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

এবার ভোটাররাই এ দুর্নীতির বিচার করবেন ব্যালটের মাধ্যমে।’

দাউদনগর বাজার এলাকার নাসরিন বেগম বলেন, ‘আমরা চাই সৎ ও শিক্ষিত লোক যেন আমাদের মেয়র হন। অযোগ্য ব্যক্তি মেয়র হলে জনগণকে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়।’

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম ধাপে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপে হবিগঞ্জ, মাধবপুর ও নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওয়ার্ডের সীমানা বৃদ্ধির বিষয়ে মামলা জটিলতা থাকায় চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে। মামলার কাগজগুলো নির্বাচন কমিশনে আমরা পাঠিয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা