kalerkantho

বুধবার। ৬ মাঘ ১৪২৭। ২০ জানুয়ারি ২০২১। ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

মধুখালীতে লড়াইয়ের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

২ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুরের মধুখালী পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষের মধ্যে জোর লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। প্রার্থীদের প্রচার এখন তুঙ্গে।

মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরদের বিরামহীন প্রচারে পৌর এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাইকিংয়ে মুখর এখন পৌর এলাকা।

আগামী ১০ ডিসেম্বর ভোট হবে। এর আগে হাইকোর্টের এক আদেশে এ নির্বাচন ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান হাইকোর্টের ওই আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। রিট আবেদনকারী হলেন বর্ধিত পৌরসভার ভোটার মো. আতিয়ার।

এদিকে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র ও মধুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি খন্দকার মোরশেদ রহমান লিমন। বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ।

মেয়র পদের বিএনপির পদপ্রার্থী শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে তাঁর আশঙ্কার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘২০১৫ সালের ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে আওয়ামী লীগ পদপ্রার্থী ভোটকেন্দ্র দখল করে জাল ভোটের মহোৎসব করে জিতেছিলেন। সব কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনের পর নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। এবারও রাতের আঁধারে আমার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এই নির্বাচনে আমার বিজয় কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না।’

বিএনপি প্রার্থীর সব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং গত নির্বাচনে ভোট কারচুপির বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খন্দকার মোরশেদ রহমান লিমন বলেন, ‘জনগণের রায় নিয়েই আমি ফের নির্বাচিত হব, এমনটাই প্রত্যাশা করি। আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে জনগণ গতবার সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে হারিয়ে সমুচিত জবাব দিয়েছিল। আশা করি, এবারও পৌরবাসী তাঁকে ফের পরাজিত করে ভালো-মন্দের জবাব দেবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা