kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বাধা উপেক্ষা করে রাতে ঢালাই

হাতীবান্ধায় কালভার্টের কাজে অনিয়ম

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

২৬ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নিম্নমানের ইটের খোয়া, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে রাতের আঁধারে কালভার্টের ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের নিযুক্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের উপস্থিতিতেই এ কাজ করেছেন ঠিকাদারের লোকজন। এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে ওই কর্মকর্তা তাদের কথা শোনেননি। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের চাম্পাফুল এলাকায় অবস্থিত একটি কালভার্টের ঢালাইয়ের কাজে এমনই অনিয়ম হয়েছে।

জানা গেছে, চাম্পাফুল এলাকায় প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের বক্স কালভার্টের কাজের দায়িত্ব পান সৌদি ট্রেডিং। তাদের হয়ে কাজটি করছেন লালমনিরহাটের নরসিংদী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শরিফ। তবে বর্তমানে কাজটির দেখভাল করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম। কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। তবে স্থানীয়দের এমন অভিযোগ ও বাধাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের নিযুক্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করেন ঠিকাদারের লোকজন। এতে কালভার্টের মান ও স্থায়ীত্বকাল নিয়ে স্থানীয়দের মনে সংশয় দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ওই এলাকায় সরেজমিন দেখা যায়, নাজুক বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ঢালাইয়ের কাজ চলছে। পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন ঠিকাদারের লোকজন ও প্রকৌশলী অফিসের নিযুক্ত কর্মকর্তা। স্থানীয়দের নানা অভিযোগ আর বাধা-নিষেধ উপেক্ষা করেই নিম্নমানের ইটের খোয়া, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ শেষ করা হয়।

এ ব্যাপারে স্থানীয় মজনু হোসেন বলেন, ‘কাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। আমরা বাধা দিয়েছি। কিন্তু তারা কথা শোনেনি। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়েই কাজ চালিয়ে গেছে।’ রাতে কাজ করার নিয়ম নেই—তা স্বীকার করে ঠিকাদার মো. শরীফ বলেন, ‘কাজটি আমিই করছি। তবে এখন এটি দেখভাল করছে সাইফুল নামের এক ব্যক্তি। গতকাল রাতে ঢালাইয়ের কাজ হয়েছে কি না, তা আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে আমি খোঁজখবর নিচ্ছি।’ এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন বলেন, ‘এটা কোনো বিষয় নয়। প্রয়োজনে রাত ১২টা পর্যন্ত কাজ করা যেতে পারে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা