kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

রংচং দুর্নীতি চেয়ারম্যানের

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৪ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংচং দুর্নীতি চেয়ারম্যানের

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের কয়রাছারা-নাসির আলিম মাদরাসায় দুটি নতুন টয়লেট নির্মাণ প্রকল্পের জন্য দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু মাদরাসার পুরনো টয়লেটে রং করেই বরাদ্দের টাকা তুলে নেন ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুর রহমান। এ কাজের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলামও জড়িত। পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের নতুন করে টয়লেট নির্মাণের নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এলজিএসপি কর্মসূচির অর্থায়নে উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নে চারটি প্রকল্পে ১০ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় উপজেলা প্রশাসন। এর মধ্যে দুই লাখ টাকা ব্যয়ে ইউনিয়নের কয়রাছারা-নাসির আলিম মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের জন্য দুটি টয়লেট নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এ বছরের জুন মাসের মধ্যে টয়লেট দুটি নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুর রহমান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্না মাদরাসার পুরনো টয়লেট রং করে নতুন নির্মাণকাজের ফলক লাগিয়ে দেন। এরপর গত জুন মাসে প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা তুলে নেন তাঁরা।

বিষয়টি আঁচ করতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগ করে এলাকাবাসী। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ আশরাফুজ্জামান গত মাসে সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান। পরে ওই প্রকল্পের দুটি টয়লেট নতুনভাবে নির্মাণের জন্য চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে নির্দেশ দেন। ফলে নিরুপায় হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার গত সপ্তাহ থেকে নতুন টয়লেটের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

মাদরাসার অধ্যক্ষ আনসার আলী বলেন, ‘প্রকল্পের টাকায় টয়লেট নির্মাণ না করলেও বাধ্য হয়ে আমি নতুন টয়লেট বুঝিয়ে পেয়েছি বলে স্বাক্ষর করেছিলাম।’

অভিযুক্ত খানমরিচ ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুর রহমান বলেন, ‘ওই টয়লেট নির্মাণ প্রকল্পের টাকা অন্য একটি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে। তাই পুরনো টয়লেটের রং করে ফলক লাগানো হয়েছিল।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘শুনেছি, ইউপি চেয়ারম্যান টয়লেট নির্মাণ প্রকল্পের টাকা অন্য একটি প্রকল্পে ব্যয় করেছেন। তবে এটা নিয়মবহির্ভূত। তাই ইউপি চেয়ারম্যানকে নতুন করে দুটি টয়লেট নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা