kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

শরণখোলা

এখনো পানিবন্দি ৪০০০ পরিবার

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এখনো পানিবন্দি ৪০০০ পরিবার

এক সপ্তাহের বেশি পানিবন্দি হয়ে আছে বাগেরহাটের শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নের এই পরিবার। ছবি : কালের কণ্ঠ

বাগেরহাটের শরণখোলায় গত ২১ অক্টোবর থেকে টানা তিন দিনের ভারি বর্ষণে প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যায়। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়ে অর্ধ লক্ষাধিক পরিবার। এরপর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। অথচ চার সহস্রাধিক পরিবার এখনো পানিবন্দি-ই আছে। এতে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে তারা।

জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/১ পোল্ডারের ৬৩ কিলোমিটার টেকসই বাঁধের নির্মাণকাজ এখনো চলছে। ফলে পানি নিষ্কাশনের ২৬টি স্লুইস গেটের কাজ অসম্পন্ন আছে। কিছু কিছু গেট জরুরিভাবে খুলে দেওয়া হলেও তা পুরো উপজেলার পানি নিষ্কাশনে পর্যাপ্ত নয়। ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

গত বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার চারটি ইউনিয়নের জলাবদ্ধ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মানুষের দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে। ধানসাগর ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রামে দেখা যায়, বিধবা কোহিনুর বেগমের ঘরের আশপাশে এখনো কোমরসমান পানি। সুপারিগাছের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাঁদের। এ সময় কোহিনুর বেগম জানান, ছেলের বউ ও দুই বছরের নাতিকে নিয়ে একই ঘরে বসবাস করেন। চারপাশে পানি জমে থাকায় সাপ, ব্যাঙসহ বিভিন্ন পোকামাকড় ঘরে উঠে আসে। ভয়ে রাতে ঠিকমতো ঘুমোতে পারেন না। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, ‘দ্রুত যাতে পানি নেমে যায় সে জন্য পাউবো ও বেড়িবাঁধ নির্মাণ সংশ্লিষ্টদের স্লুইস গেটগুলো খুলে দিয়ে তদারকি করতে বলা হয়েছে। বাঁধের কাজ চলমান বলে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘জলাবদ্ধতার বিষয়টি প্রশাসনের নজরদারিতে আছে। তা ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য এরই মধ্যে ২০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা