kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

শার্শার গোগা ইউনিয়ন পরিষদ

ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে চেয়ারম্যানের মারধর

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

২৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে চেয়ারম্যানের মারধর

যশোরের শার্শায় গোগা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একই ইউপির সদস্য বাবুল হোসেনকে প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পূর্ববিরোধের জেরে গত মঙ্গলবার গোগা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ গোগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিও। অন্যদিকে খবর পেলেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়নি বলে অভিযোগ। তবে পুলিশ বলছে, তারা কোনো অভিযোগ পায়নি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান রশিদ, তাঁর বড় ছেলে সম্রাট হোসেনসহ বেশির ভাগ ইউপি সদস্য দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, লুটপাট ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। মাদক কারবার ছাড়াও ইউনিয়নের হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের বিভিন্ন সালিস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন উৎসের টাকা ইউপি সদস্য বাবুল ও সম্রাট ভাগাভাগি করে নিতেন। একপর্যায়ে গোগা ইউনিয়নের কেউ কেউ চেয়ারম্যানের কাছে ইউপি সদস্য বাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তবে ভয়ে সম্রাটের বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস পাননি তাঁরা। অভিযোগ পেয়ে বাবুলকে বিভিন্নভাবে নেওয়া এক লাখ ৭৪ হাজার টাকা ফেরত দিতে বলেন চেয়ারম্যান। চাপের মুখে চেয়ারম্যানকে এক লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন বাবুল। আর বাকি টাকা পরে দেবেন বলে জানান। এর মধ্যে চেয়ারম্যানের কাছে পাওনা এক লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত চান বাবুল। নির্বাচনের আগে তাঁর কাছ থেকে এ টাকা ধার নিয়েছিলেন চেয়ারম্যান। বিষয়টি বাবুল এমপি শেখ আফিল উদ্দিনকে জানালে তিনি চেয়ারম্যানকে টাকা ফেরত দিতে বলেন। এতে চেয়ারম্যান ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। মঙ্গলবার এমপির সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে বাবুলকে দেখে গালাগাল শুরু করেন চেয়ারম্যান। একপর্যায়ে তাঁকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। এ সময় চেয়ারম্যানের দুই ছেলে সম্রাট ও সুমন হোসেন ও ভাই ওহাব আলী তাঁর সঙ্গে যোগ দেন। সবাই মিলে বাবুলকে বেদম মারধর করেন। বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ইউপি সদস্য। ইউপি সদস্যকে মারধরের বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান রশিদ বলেন, ‘আমরা পরিষদে বসে মিটমাট করার চেষ্টা করছি।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা