kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

নবীনগরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর মামলা

‘অনুপস্থিতরাও’ জেলে

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি   

২৬ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় যুবদলের নিরপরাধ সাত নেতাকে আসামি করা হয়েছে। যাঁদের মধ্যে দুজনকে এরই মধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে।

গত শুক্রবার একটি বাড়িতে পুলিশের অনুমতি ছাড়া উপজেলা যুবদলের একটি সাংগঠনিক সভা চলছিল। এ সময় পুলিশ ও যুবদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় ও জেলাসহ স্থানীয় নেতারা আহত হওয়ার পাশাপাশি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। শুক্রবার রাতে নবীনগর থানার দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জসীম উদ্দিন থানায় মামলা করেন। এতে যুবদলের ২৪ জন নেতার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৭০-৮০ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

পুলিশ এরই মধ্যে এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন লাউর ফতেপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহম্মেদ এবং লাউর ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামীম সরকার।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজুর রহমান মুকুল (যিনি এই মামলার এক নম্বর আসামি) জানান, গ্রেপ্তার করা দুই নেতা ওই দিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন না। শুধু তাই নয়, এই দুজনসহ পুলিশ এমন সাতজনের নাম এজাহারে লিখেছে যাঁরা সভায় উপস্থিত ছিলেন না। তাঁরা হলেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, যুবদল নেতা মোমেন মৃধা, লাউর ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বিল্লাল হোসেন, যুবদল নেতা আবুল হোসেন ও গোলাম কিবরিয়া শিবলী।

মুকুল বলেন, ‘ওই দিন পুলিশ বিনা উসকানিতে আমাদের বেধড়ক পিটিয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় ও জেলা যুবদলের নেতারাও মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত হয়েছেন। নবীনগরে এমন সহিংস রাজনীতি কখনোই ছিল না।’

নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন বলেন, ‘সরকারি গাড়ি ভাঙচুর ও তিন পুলিশ সদস্য

আহত হওয়ার ঘটনায় এই মামলা হয়েছে। তবে তদন্তে অনুপস্থিত কিংবা নিরপরাধ কেউ মামলায় থাকলে সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা

নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা