kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

জলঢাকা ভূমি অফিস

ঐক্যের নামে চাঁদাবাজি!

নীলফামারী ও জলঢাকা প্রতিনিধি   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীলফামারীর জলঢাকায় সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে তাঁদের লোকজন চাঁদাবাজি করছেন বলে অভিযোগ। দলিল প্রতি দুই হাজার টাকা চাঁদা আদায় করছেন তাঁরা। শেষে দলিলের পেছনের পাতায় বিশেষ সিল মেরে দিচ্ছেন, যাকে তাঁরা বলছে ঐক্যের সিল। এ সিল ছাড়া দলিল সম্পাদন করা হয় না। এভাবে প্রতিদিন গড়ে এক লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলিল লেখক আনিছুর রহমান ও সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান গত সোমবার দুপুরে অফিসটির সামনে প্রতিবাদসভা করেছেন। পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে অফিসের প্রধান ফটকের সামনে পাল্টা মানববন্ধন করা হয়।

সোমবার সরেজমিনে সাবরেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সাবরেজিস্ট্রারের টেবিলে রাখা দলিলের স্তূপ ঘেঁটে প্রতিটির পেছনের পাতার ওপরের অংশে ডান দিকে বিশেষ সিল দেখা গেছে, যা দলিল সম্পাদনে অপ্রয়োজনীয়। এ সময় খুটামারা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, ‘৮ শতক জমি কিনেছি ৮০ হাজার টাকায়। এখন রেজিস্ট্রি করতে দলিল লেখককে ১২ হাজার টাকা দিয়েছি, তিনি আরো দুই হাজার টাকা চাচ্ছেন।’

অভিযোগের বিষয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আহমেদ হোসেন বলেন, ‘দলিল লেখক সমিতির নামে কোনো চাঁদা বা অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় না।’

সাবরেজিস্ট্রার মনীষা রায় বলেন, ‘অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতা আমার কাছে অভিযোগ করেননি।’

জেলা রেজিস্ট্রার মো. সাখাওয়াদ হোসেন বলেন, ‘আমি দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিমলার সাবরেজিস্ট্রারকে দায়িত্ব দিয়েছি। তদন্ত প্রতিবেদন এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা