kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ কার্তিক ১৪২৭। ৩০ অক্টোবর ২০২০। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

রংপুর সদরের তিন ইউনিয়নে নির্বাচন

আচরণবিধি লঙ্ঘন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর   

১৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর, চন্দনপাট ও সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামীকাল মঙ্গলবার। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সংশয় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর। কারণ কোনো প্রার্থীই আচরণবিধি মানছেন না। কালো টাকার ছড়াছড়ি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে নির্বাচনে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কায় বিজিবি, র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার।

রংপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, তিন ইউনিয়নে মোট ১৬ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হরিদেবপুর ইউনিয়নে পাঁচজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির মফিজল ইসলাম জর্দা, আওয়ামী লীগের একরামুল হক, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আবুল হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন ও শাহিনুর আলম। চন্দনপাট ইউনিয়নে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির রুহুল আমিন লিটন, আওয়ামী লীগের আমিনুর রহমান, বিএনপির মেরাজুল ইসলাম ও দিলকাদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী লিটন চৌধুরী ও সহিদুর রহমান। সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়নের পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির ফজলুল হক, আওয়ামী লীগের মকছেদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল রানা, মাহাবুল হক ও কৃষ্ণচন্দ্র বর্মণ।

সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মকছেদুর রহমানের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ রানা কালো টাকা ছড়িয়ে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগও করেছেন তিনি। তবে মাসুদ রানা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সাজানো ও মিথ্যা বলে দাবি করে উল্টো আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে তাঁর সমর্থকদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়াসহ মোটরসাইকেল মহড়া ও রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নাসিমা জামান ববিকে নিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন। অন্যদিকে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী কৃষ্ণচন্দ্র বর্মণ আওয়ামী লীগ ও প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন। একই অভিযোগ রয়েছে চন্দনপাট ও হরিদেবপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের।

সার্বিক বিষয় জানতে যোগাযোগ করা হলে রংপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার রেজাউল করিম বলেছেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে বিজিবি, র‌্যাব, আর্মড পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

মন্তব্য