kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

নীলফামারী-সৈয়দপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক

ভূমি জটিলতায় স্থবির কাজ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় থমকে আছে নীলফামারী-সৈয়দপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উন্নয়নকাজ। সাড়ে ১৫ কিলোমিটারের সড়কটির উন্নয়নকাজের প্রথম দফার মেয়াদ শেষ হলে দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়ানো হয়। এরই মধ্যে দুই বছর পেরিয়ে গেছে। এ সময়ে কাজের অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৫০ শতাংশ। এ অবস্থায় জেলা শহর থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচলের একমাত্র সড়কটিতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকরা।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বলা হচ্ছে, ক্ষতিপূরণের টাকা না পাওয়ায় জমি ছেড়ে দিচ্ছেন না মালিকরা। এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, জমি অধিগ্রহণের চারটি অংশের মধ্যে তিনটি অংশের টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের কাছে। অন্যদিকে জেলা প্রশাসন বলছে, জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাবনা তৈরিতে কিছু ত্রুটি আছে, যেগুলো সংশোধনে সময় লাগছে।

এদিকে জমি ও স্থাপনার মালিকরা বলছেন, গত দুই বছরেও অধিগ্রহণ করা জমি ও স্থাপনার ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি  তাঁরা। এ কারণে তাঁদের জায়গায় কাজ করতে বাধা দিচ্ছেন। এর আগে তাঁরা ক্ষতিপূরণের দাবিতে সড়ক অবরোধ, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসলাম ব্রাদার্সের প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা জমি মালিকদের বুঝিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় এখন তাঁরা কাজে বাধা দিচ্ছেন। ফলে গত জুন মাস থেকে কাজ বন্ধ রয়েছে।’

নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সড়কটিকে চারটি অংশে বিভক্ত করা হয়। এরই মধ্যে তিনটি অংশের বিপরীতে জেলা প্রশাসনকে ২৫৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। একটি অংশের প্রাক্কলন এখনো পাইনি। সেটি পেলে তাদের চাহিদামতো টাকা দেওয়া হবে। তা ছাড়া জেলা প্রশাসন একটি অংশের অধিগ্রহণ নিষ্পত্তি করে জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে। ওই অংশের কাজও শেষ হয়েছে। বাকি তিনটি অংশ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ঠিকাদার কাজ করতে পারছেন না। এরই মধ্যে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নাভানা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে চিঠি দেয়। আমরা গত ফেব্রুয়ারিতে তাদের চুক্তিপত্র বাতিল করে ওই অংশে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করেছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা