kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ কার্তিক ১৪২৭। ৩০ অক্টোবর ২০২০। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

খাবারে ঘুমের ওষুধ হাসপাতালে পাঁচজন

বাউফলে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জসীম নামের এক যুবক গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পটুয়াখালীর বাউফলে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার রাতে উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরওয়াডেল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে তাদের অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল জসীম উদ্দিন হাওলাদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার পর স্থানীয় এক জেলের রান্নাঘরে ঢুকে জসীম হাওলাদার। জেলের চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে (১৩) তা দেখে ফেললে তিনি দ্রুত সটকে পড়েন। পরে রাত ৮টায় পরিবারের সবাই খাবার খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। তবে ঘটনার সময় ওই জেলে বাড়িতে ছিলেন না। তিনি মাছ ধরতে নদীতে গিয়েছিলেন। সকালে পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।

জ্ঞান ফিরলে জেলের চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে জানায়, জসীম হাওলাদার ঘরে এসেছিল। তিনি খাবারের সঙ্গে কোনো কিছু মিশিয়ে দিতে পারেন। এ ঘটনা শোনার পর স্থানীয় লোকজন জসীমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি খারাপ উদ্দেশ্যে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। খবর পেয়ে বাউফল থানার উপপরির্দশক (এসআই) সাইদুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে জসীমকে আটক করেন। 

এদিকে গতকাল দুপুরে ওই জেলের স্ত্রী, বড় মেয়ে ও ছোট ছেলের জ্ঞান ফিরলেও অন্য দুই শিশুর জ্ঞান ফিরেনি বলে জানা গেছে।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাস মোল্লা বলেন, ‘আটক জসীম একজন খারাপ চরিত্রের লোক। এর আগেও তিনি এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন।’ চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন বলেন, ‘আটক জসীম ধর্ষণের উদ্দেশ্যে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।’ এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা পুরোপুরি সুস্থ হলে তাদের বক্তব্য শুনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য