kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

চাঁদাবাজির খবর প্রকাশ

সাংবাদিকের সন্তানদের এতিম করার হুমকি

নড়াইল প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদাবাজি ও প্রতারণার নানা তথ্য পত্রিকায় প্রকাশ করায় নড়াইলের কালিয়ায় এক সাংবাদিকের সন্তানদের এতিম করার হুমকি দিয়েছেন উপজেলার নড়াগাতি থানার সন্ত্রাসী পারভেজ শেখ ও তাঁর সহযোগীরা। এ ঘটনায় সাংবাদিক গত মঙ্গলবার রাতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নড়াগাতি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

জয়যাত্রা টিভি ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার কালিয়া প্রতিনিধি বাবর আলী অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের মুখোশ পরে বাগুডাঙ্গা গ্রামের সাজিদুল ইসলাম শোভন কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করে বেড়ান। তাঁর সহযোগী চরডুমুরিয়ার পারভেজ শেখ পুলিশ হত্যার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি ও কলাবাড়িয়া গ্রামের রিয়াজুল ইসলাম সরকারি গাছ লুটসহ কয়েকটি চাঁদাবাজির মামলায় যুক্ত। কয়েক দিন আগে তাঁদের একাধিক চাঁদাবাজিসহ প্রতারণার অভিযোগসংবলিত খবর কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, যা পরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার বিকেলে পারভেজ শেখ সাংবাদিক বাবরকে মোবাইল ফোনে তাঁর সন্তানদের এতিম করার হুমকি দেন।

বাবর বলেন, ‘ওরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মুখোশ পরে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করে চলেছে। বর্তমানে আমি পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

তবে পারভেজ শেখ হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করেছেন।

নড়াগাতি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘সাংবাদিক বাবর আলী একটি জিডি করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কালিয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম শাহী বলেন, ‘মূলত এরা চাঁদাবাজি করার জন্য সাংবাদিক নামের কার্ড জোগাড় করে। প্রতিনিয়ত কালিয়া নড়াগাতিতে এরা সব ধরনের অপকর্ম করে বেড়ায়, যাতে এই পেশার ভাবমূর্তি মারাত্মভাবে ক্ষুণ্ন্ন হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, সাংবাদিক পরিচয়ে সাজিদুল ইসলাম শোভনের নেতৃত্বে চক্রটি কলাবাড়িয়া বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় নড়াগাতি থানায় মামলা করেন ব্যবসায়ী রিয়াজুল ইসলাম। এ ছাড়া প্রতারণার মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় কামশিয়া গ্রামের জাহিদুর রহমান প্রতিকার ও বিচার দাবি করে ১৬ সেপ্টেম্বর কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কমকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

মন্তব্য