kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

৯ সেতুতে ভয়

ধুনটে সেতু ধসে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার ধুনটে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে দিয়েছিল কয়েকটি সেতু। কিন্তু এখন সেই সেতুগুলোই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশির ভাগ সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়েছে। জরাজীর্ণ হয়ে ভাঙনের ঝুঁকিতে আরো কয়েকটি। সব মিলে উপজেলায় গ্রামীণ জনপদের ৯টি সেতু বেহাল।

ফলে দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করছে নানা ধরনের যানবাহন ও পথচারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সদরের সঙ্গে ১০ ইউনিয়নে যোগাযোগের সব রাস্তা পাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাস্তাগুলোতে থাকা নদী-নালা ও খালে ছোট-বড় সেতু নির্মিত হয়েছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়। কিন্তু এসব সেতুর মধ্যে ৯টি বর্তমানে ভাঙনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলো হলো বিলচাপড়ি, এলাঙ্গী, বরইতলী, শাকদহ, সোনারগাঁ, বানিয়াগাতি, গোসাইবাড়ী, সাতটিকরি ও রুদ্রবাড়িয়া সেতু। এসবের মধ্যে বিলচাপড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সেতুটি ভয়াবহ ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, বেশির ভাগ সেতুর সংযোগ সড়কের দুই পাশের রাস্তা ধসে গেছে। বৃষ্টির পানি জমে কিছু জায়গা দেবে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কোনো সেতুর রেলিং ভেঙে পড়েছে। সব মিলে সেতুগুলোর ওপর দিয়ে চলাচল নিরাপদ নয়। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতা সংকেত হিসেবে সংযোগ সড়কের ভাঙা স্থানে স্বেচ্ছায় লাল নিশান উড়িয়ে দিয়েছে এলাকার তরুণরা।

স্থানীয়রা জানায়, সেতুগুলো নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুর দুই পাশে যে পরিমাণ মজবুত করে মাটি ভরাটের কথা ছিল তা করা হয়নি। এতে সেতুর দুই পাশের মাটি দেবে গিয়ে পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে। সেতুগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছে মানুষ।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘অতিবর্ষণে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কের বেশ ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সেতুগুলোর তথ্যচিত্র সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। তা ছাড়া বিষয়টি নিয়ে উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্ব্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে।’

মন্তব্য