kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ডা. আয়নাল হত্যা মামলা

১৮ বছর পর রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড

নাটোর ও বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোরের আলোচিত বড়াইগ্রাম থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. আয়নাল হক হত্যা মামলায় ১৩ আসামির দুজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১১ জনকে খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক হত্যাকাণ্ডের ১৮ বছর পর এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শামীম ও তোরাবকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শামীম বড়াইগ্রাম উপজেলার মহিষবাঙ্গ গ্রামের পলান মোল্লার ছেলে ও তোরাব একই গ্রামের বাহার উদ্দিন মোল্লার ছেলে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ, মামলার বাদীসহ নিহতের পরিবার এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২৮ মার্চ রাতে বনপাড়া সাহেবপাড়ায় বসে থানা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি অধ্যক্ষ একরামুল আলমসহ স্থানীয় বিএনপির ১৭ নেতাকর্মী ডা. আয়নাল হকের ওপর চড়াও হন। এ সময় তাঁকে রামদাসহ ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রাখা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ২৯ মার্চ দুপুরে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় নিহতের পুত্রবধূ নাজমা বেগম বাদী হয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ একরামুল আলম, সাহের উদ্দিন মোল্লাসহ ১৭ বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। বিচারকাজ চলমান অবস্থায় মামলার প্রধান আসামি অধ্যক্ষ একরামুল আলম, সাহের উদ্দিন, আলামুদ্দীন ও সেন্টু মারা যান। তাঁদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হয়। ১১ আসামির উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় পাবলিক প্রসিকিউটর সিরাজুল ইসলাম, ডা. আয়নাল হকের জ্যেষ্ঠ ছেলে বনপাড়া পৌর মেয়র জাকির হোসেন ও মামলার বাদী নাজমা বেগম অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রায়ের কপি দেখে তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ  নেবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা