kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে দুই স্কুল

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বৈশাখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যমুনার ভাঙনে তিনবার বিলীন হয়েছে। সর্বশেষ বিলীন হয়েছে ২০১৯ সালে। ধীরে ধীরে চলে গেছে শিক্ষার্থীরাও। বর্তমানে পড়াশোনা করছে মাত্র ৫২ জন শিক্ষার্থী। চারজন শিক্ষক থাকলেও একজনকে পারিবারিক মামলার কারণে বরখাস্ত করা হয়েছে। বারবার ঠিকানা পরিবর্তন ও শিক্ষার্থী হারিয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ১৩৫ বছরের পুরনো এ বিদ্যালয়টি। একই চিত্র পাশের ৫০ বছরের পুরনো বৈশাখী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টির।

জানা গেছে, বৈশাখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় ১৮৮৫ সালে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি কয়েক দফা যমুনায় বিলীন হয়। প্রায় ২৬ বছর আগে যমুনার বুকে আবার জেগে ওঠে বৈশাখী চর। বিদ্যালয়টি খুঁজে পায় হারানো ঠিকানা। বৈশাখী চরে ২০১১ সালে বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করা হয়। ওই সময় ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বৈশাখী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিও একই স্থানে নেওয়া হয়। নানা সমস্যার মাঝে সেখানেই চলতে থাকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। কিন্তু সেখানেও বেশিদিন টিকে থাকতে পারেনি বিদ্যালয় দুটি। ভাঙনের কারণে ২০১৯ সালের জুন মাসে বিদ্যালয় দুটি চর থেকে চার কিলোমিটার দূরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পশ্চিম পাশে বানিয়াজান চল্লিশপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে টিনের ঘর তুলে কোনোভাবে চালু রাখা হয়েছে বিদ্যালয় দুটির কার্যক্রম।

এ ব্যাপারে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, যমুনা নদীর ভাঙন এলাকায় অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন বিষয়ে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সরেজমিনে পরিদর্শন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা নিরসন করা হবে। 

মন্তব্য