kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

প্রকল্পের ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ চেয়ারম্যানের

উলিপুরে ৪২ প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা ৪২টি সরকারি প্রকল্পের প্রায় ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বরাবর সুপারিশ করেছেন জেলা প্রশাসক। কিন্তু চার মাসেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দ্বিতীয় পর্যায়ে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) সোলার কর্মসূচির আওতায় ৪৭ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৯ টাকার ২২টি প্রকল্প ও গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) সোলার কর্মসূচির আওতায় ৩৭ লাখ ১২ হাজার ৩৫৬ টাকার ২০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয় জেলা কর্ণধার কমিটি। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যান এ প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব মো. আবু বকর সিদ্দিক ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বরাবর পত্র পাঠান। পরে জেলা প্রশাসক স্থানীয় সরকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমানকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গত ১৭ মে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে সুপারিশ করেন জেলা প্রশাসক। কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

তবে উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন মন্টু বলেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতি করিনি। তালিকায় কয়েকটি নাম পরিবর্তন করে অন্যদের সোলার প্যানেল দিয়েছি।’ তদন্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে যথারীতি প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।’ জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা) অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি এখন অধিদপ্তরে আছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা