kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পাকুন্দিয়ায় আ. লীগ ও শ্রমিক লীগ সংঘর্ষ

কিশোরগঞ্জ ও পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে গত ৬ আগস্ট সাময়িক বরখাস্ত হন কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রেনু। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের রায় হওয়ার পর গতকাল রবিবার দুপুরে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তবে প্রতিপক্ষ, উপজেলা শ্রমিক লীগের শতাধিক নেতাকর্মীর বাধায় দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়াধাওয়ি ও সংঘর্ষ হয়। এতে সরকারি কর্মচারীসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. হাবিবুর রহমান মাথায় ইটের আঘাত পেয়েছেন। আহত অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান রেনু সাময়িক বরখাস্ত হওয়ায় এক নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সে সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিতাদেশ চেয়ে উচ্চ আদলতে রিট করেন চেয়ারম্যান রেনু। গত ১৭ আগস্ট হাইকোর্ট ওই রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দেন।

চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু বলেন, ‘মিথ্যা অভিযোগে অন্যায়ভাবে আমাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে বরাখাস্ত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ দেন। অথচ আমাকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।’ পাকুন্দিয়া থানার ওসি বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা