kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

কেমন ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী?

আদিল উদ্দিন আহমেদ, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)   

১৫ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেমন ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী?

ভৈরবের হাজি আসমত কলেজের ছাত্রাবাসের দোতলায় একদল পুলিশ ওঠে। বলে, ‘তোরা কিসের মিলাদের আয়োজন করেছিস? এত দুঃসাহস তোদের?’ গালি দিয়েই পুলিশ সদস্যরা সবাইকে লাঠিপেটা করেন। পায়ের বুট আর রাইফেলের বাঁট দিয়ে আঘাত করতে থাকেন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। পুলিশের নির্যাতনে সেদিন অনেকে রক্তাক্ত হয়েছিলেন। এরপর উপস্থিত ২২ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করাটাই সেদিন ‘অপরাধ’ ছিল।

ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭৬ সালের ১৫ই আগস্ট। স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল। সেদিন গ্রেপ্তার ২২ জনকে পুলিশ কারাগারে পাঠায়। সেদিনের স্মৃতিচারণা করেন গ্রেপ্তার হওয়া রসরাজ সাহা ও মতিউর রহমান। আরো গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তৎকালীন থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম আক্কাছ (বর্তমান পৌর মেয়র), ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান ফারুক (বর্তমানে সাংবাদিক), রুহুল আমীন, মাহবুব, মফিজুর রহমান, মোশারফ হোসেন (জজ মিয়া), জিল্লুর রহমান জিল্লু, আসাদ মিয়া, আতাউর রহমান, আসাদুল হক শিশু, ফিরুজ মিয়া, দীলিপ চন্দ্র সাহা ও তাঁর ভাই দীজেন্দ্র চন্দ্র সাহা, ফজলুর রহমান, আবদুল হামিদ, ইদ্রিছ মিয়া, মাহবুব আলম, সুবল চন্দ্র কর, শাহজালাল হোসেন ও আজমল ভূঁইয়া।

আসাদুজ্জামান ফারুক বলেন, ‘সেদিনের কথা মনে পড়লে আজও আমার শরীর শিহরিয়ে ওঠে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা