kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

প্রবল স্রোতে সুরেশ্বর বাঁধের ৫৫ মিটার পদ্মাগর্ভে

শরীয়তপুর প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শরীয়তপুরের নড়িয়ায় গত সাত দিনে সুরেশ্বর দরবার শরিফ রক্ষা বাঁধের প্রায় ৫৫ মিটার ভেঙে পদ্মাগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

প্রবল স্রোতের কারণে নদীর তলদেশ থেকে জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক সরে যাওয়ায় এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিতে দরবার শরিফ ও আশপাশের লোকজন আবারও বাড়িঘর হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।

ভাঙনের বিস্তৃতি রোধে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গত বুধবার পর্যন্ত ভাঙনের স্থানে প্রায় ৩৬ হাজার জিও ব্যাগ ও সাড়ে তিন হাজার সিসি ব্লক ফেলেছে তারা।

অন্যদিকে গত দুই দিন ধরে পদ্মায় আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে।

ফলে নড়িয়াসহ চারটি উপজেলার প্রায় তিন লাখ পানিবন্দি মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নদীর সুরেশ্বর পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বুধবার সকালে জোয়ারের সময় বিপত্সীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সুরেশ্বর দরবার শরিফ ও আশপাশের এলাকাকে পদ্মার ভাঙন থেকে রক্ষায় ২০০৭ ও ২০১২ সালে তিনটি প্যাকেজে ৮৫০ মিটার স্থায়ী বাঁধটি নির্মাণ করে পাউবো।

এতে মোট ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমে পদ্মায় পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে নদীর তলদেশ থেকে জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক সরে যায়।

এই পরিস্থিতিতে প্রথমে গত ৩০ জুলাই বাঁধটির প্রায় ১৫ মিটার ভেঙে যায়। পরে গত মঙ্গলবার বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের স্থানে জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক ফেলার কাজ করছে পাউবো। আরো ৩০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রধান মুতাওয়াল্লি সৈয়দ শাহ সুফি কামাল নুরী বলেন, ‘আমরা আতঙ্কে আছি। শেষ রক্ষা হবে কি না জানি না।’

ভাঙনের বিস্তৃতি রোধে জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক ফেলার কাজ চলছে উল্লেখ করে জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব বলেন, ভাঙনের স্থানে শুকনো মৌসুমে বাঁধ নির্মাণে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা