kalerkantho

সোমবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১০ সফর ১৪৪২

ভাতার নামে অর্ধলক্ষ টাকা নেন চেয়ারম্যান!

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বয়স্ক ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগেরও সভাপতি।

প্রায় তিন বছর আগে তিনি আটজনের কাছ থেকে অর্ধলক্ষাধিক টাকা নিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। হতদরিদ্র ওই নারীরা গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে সিরাজঞ্জের এনায়েতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে চেয়ারম্যান তাঁর লোকজনদের দিয়ে বিভিন্ন গ্রামের অসহায়, দুস্থদের কাছ থেকে ছয়-সাত হাজার টাকা করে আদায় করেছেন। ভাতার কার্ডের আশায় তিন বছর আগে ১ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বাদশপট্টি গ্রামের মর্জিনা বেওয়া, লিপি রানী, চায়না, অঞ্জনা, বাতাসি খাতুন, আছিয়া, তারাভানু ও শাহানা খাতুন সাত হাজার করে মোট ৫৬ হাজার টাকা সৈয়দপুরের আব্দুস ছামাদের মাধ্যমে সুলতান চেয়ারম্যানকে দিয়েছেন।

টাকা দেওয়ার পর চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দুস্থদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি জমা নেন। এভাবে তিন বছর পার হলেও ওই নারীদের ভাতার কার্ড করে দেওয়া হয়নি।

বিষয়টি জেনে চেয়ারম্যানের পক্ষে গতকাল বুধবার সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য মহির উদ্দিন ভুক্তভোগীদের অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেন। তবে ওই টাকার অর্ধেক দুই দিনের মধ্যে পরিশোধ করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়।

দুস্থদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে আবদুস ছামাদ বলেন, ‘চেয়ারম্যানের কাছে সব টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। এখন সে কার্ড না দিলে আমি কী করব?’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘আমার হাতে কেউ টাকা দেয়নি।’

এনায়েতপুর থানার ওসি মোল্লা মাসুদ পারভেজ জানান, ‘তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা