kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

ভাঙছে তিস্তা ভাসছে মানুষ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি   

১৪ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সীমান্তের ওপারের মেখলিগঞ্জ দিয়ে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে প্রবেশ করেছে ভারতের সিকিমে উৎপত্তি হওয়া তিস্তা নদী। এরপর কিছুটা পথ বেয়ে দহগ্রামের ভাটিতে থাকা দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ দিয়ে লালমনিরহাটের চার উপজেলার পাশ দিয়ে গিয়ে শেষ হয়েছে কুড়িগ্রামে। ফলে বর্ষায় উজান থেকে আসা ঢলের প্রথম ধাক্কা সহ্য করতে হয় জেলার পাঁচ উপজেলাকেই। এ সময় নদীর পানি উপচে তীরবর্তী এলাগুলো প্লাবিত করে ভাসিয়ে নিয়ে যায় মানুষের বাড়িঘর-বসতভিটা। আবার বানের পানি নামতে না নামতে শুরু হয় আগ্রাসী ভাঙন। প্রতিবছরই ঘটে এ ঘটনা। এবারও ভাঙছে তিস্তা। এতে নিঃস্ব হচ্ছে নদীপারের মানুষ।

প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৭ জুন থেকে এ মৌসুমে বাড়তে শুরু করে তিস্তার পানি। তিস্তা ব্যারাজ (ডালিয়া) পয়েন্টে নদীর পানি বিপত্সীমার ওপর ওঠে। ফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রথম দফায় বন্যা দেখা দেয়। এর আগেই বিভিন্ন এলাকায় দেখা দেয় নদীভাঙন। মাঝখানে বিরতি দিয়ে গত শুক্রবার থেকে জেলায় শুরু হয়েছে তৃতীয় দফার বন্যা। আর শুরু থেকেই জেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলায় দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। ভাঙনের শিকার মানুষগুলো বসতভিটা, আবাদি জমিসহ সব কিছু হারিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে বাঁধ, রাস্তা বা অন্যের জমিতে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৭ জুন থেকে গত রবিবার পর্যন্ত জেলার হাতীবান্ধা, আদিতমারী ও সদর উপজেলার প্রায় ২০০ বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে। সর্বশেষ গত তিন দিনে আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ও সদর উপজেলার গোকুণ্ডা ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক বসতভিটা নদীর পেটে চলে গেছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা