kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

দুই হাজার জনের তথ্যে গরমিল

ভাঙ্গুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তথ্যে গরমিলের কারণে তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও পাবনার ভাঙ্গুড়ার প্রায় দুই হাজার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পাননি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়ন থেকে তিন হাজার ৬৯৭ জনের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠায় উপজেলা প্রশাসন। এর আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে উপজেলা প্রশাসনে জমা দেন। সে সময় সংশ্লিষ্ট ট্যাগ কর্মকর্তা তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর গত মাসে ৯৮০ জনের মোবাইল অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয় এবং ৫৬৩ জন টাকা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। কিন্তু তথ্য গরমিলের কারণে দুই হাজার ১৫৪ জনকে টাকা না দিয়ে তথ্য সংশোধনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়।

এতে এক সপ্তাহ ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ট্যাগ কর্মকর্তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় ত্রুটিপূর্ণ তথ্য সংশোধনের কাজ করছেন।

এরই মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তথ্য গরমিলের মধ্যে রয়েছে, তালিকায় অন্তর্ভুক্ত বেশির ভাগ সুবিধাভোগীর নামের সঙ্গে মোবাইল সিমের নিবন্ধনের গরমিল। এ ছাড়া অনেকের নাম ও বয়সে ত্রুটি রয়েছে। কেউ কেউ একাধিক সিমের নাম্বার ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্টের সমস্যা হওয়ায় অনেককে নতুন করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হয়েছে।

মুণ্ডুতোষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশীদ বলেন, সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগীদের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। এর পরও বেশির ভাগ সুবিধাভোগীর দেওয়া তথ্যে গরমিল এসেছে। তবে কোনো অনিয়ম হয়নি। সুবিধাভোগীরা নিরক্ষর হওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুতই ঠিক হয়ে যাবে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘তালিকাভুক্তদের দেওয়া তথ্য সংশোধনের কাজ করতে সংশ্লিষ্টরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা