kalerkantho

রবিবার। ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭। ৯ আগস্ট ২০২০ । ১৮ জিলহজ ১৪৪১

দামুড়হুদায় বজ্র সেন্টার

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি   

৬ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ও সড়কের ধারে লাগানো হচ্ছে তালগাছের চারা। মাঠের ভিতরে নির্মাণ করা হচ্ছে বজ্র সেন্টার। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এক হাজার ১০০ তালগাছের চারা লাগানো হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে পাঁচটি বজ্র সেন্টার। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে বজ্রপাত বেড়ে যাওয়ায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। ফলে বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে বজ্রপাত প্রতিরোধক এই তালগাছ লাগানো হচ্ছে।

দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজামান জানান, সাধারণত উঁচু গাছে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। তালগাছ, নারিকেলগাছ ও সুপারিগাছে বেশি বজ্রপাত ঘটে। আর বজ্রপাতে বেশির ভাগ মাঠে থাকা কৃষকরা মারা যায়। কৃষকদের প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেতে চলতি মৌসুমে উপজেলা পরিষদ চত্বর, পুড়াপাড়া, জয়রামপুর ও হৈবতপুর মাঠের রাস্তায় এক হাজার ১০০ তালগাছের চারা লাগানো হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী মৌসুমের জন্য তালের আঁটি সংগ্রহ করে চারা তৈরির কাজ চলছে। শুধু তা-ই নয়, বজ্রপাতের সময় আশ্রয় নেওয়ার জন্য দামুড়হুদার গোবিন্দহুদা, নতিপোতা, কুড়ালগাছি, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ও হাউলি ইউনিয়নের মাঠে বজ্র সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে বজ পাতের সময় করণীয় কী তার দিকনির্দশনা দিয়ে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজামান আরো জানান, তালগাছের শিকড় ভেষজ ওষুধ হিসেবে ভালো কাজে আসে। এই গাছ থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। গাছ থেকে পাকা তাল, তালশাঁস ও তালমিছরি পাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। এই গাছ প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য বাবুই পাখির আবাসস্থল। গাছের পাতায় হাতপাখা তৈরি করা হয়ে থাকে। তা ছাড়া এ গাছ দিয়ে মাছধরা বা পানিতে ব্যবহারের ডিঙি, ঘরের সিলিংয়ের কাজ করা হয়। শুধু তা-ই নয়, গাছের শিকড়গুচ্ছ সড়ক ও নদীর পাড় সংরক্ষণ করে। তাই কৃষকদের তালগাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা