kalerkantho

সোমবার  । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ৩ আগস্ট  ২০২০। ১২ জিলহজ ১৪৪১

ধুনটে শহীদ মিনার চত্বরে অবৈধ পরিবহন স্ট্যান্ড

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধুনটে শহীদ মিনার চত্বরে অবৈধ পরিবহন স্ট্যান্ড

বগুড়ার ধুনট উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ পরিবহন স্ট্যান্ড। ছবি : কালের কণ্ঠ

শহীদ মিনার চত্বরে গড়ে তোলা হয়েছে পরিবহন স্ট্যান্ড। মূল বেদিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকছে সিগারেটের উচ্ছিষ্ট অংশ ও ময়লা-আবর্জনা। চারপাশে নোংরা পরিবেশ। জুতা পায়ে মূল বেদির ওপর বসে আড্ডা দেন পরিবহনের চালকরা। বগুড়ার ধুনট উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটির অমর্যাদার প্রতিদিনের চিত্র এটি।

জানা গেছে, উপজেলা পরিষদের পুকুরপারে প্রায় ৩৫ বছর আগে নির্মাণ করা হয় শহীদ মিনারটি। এটি উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি পুরনো শহীদ মিনারটির আধুনিকায়ন করা হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনারটি বর্তমানে অবহেলার শিকার। জাতীয় দিবসগুলোতে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। দিবসগুলোর দু-এক দিন আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হলেও বাকি দিনগুলো অযত্নে-অবহেলায় পড়ে থাকে।

দীর্ঘদিন ধরে শহীদ মিনার চত্বরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। ফলে প্রায়ই পরিবহনের চালক, শ্রমিক ও যাত্রীদের জুতা পায়ে শহীদ বেদিতে বসে বিড়ি-সিগারেট ফুঁকতে দেখা যায়। সন্ধ্যার পরে শহীদ মিনারের চারপাশে নেশার আসর বসায় মাদকসেবীরা। শহীদ মিনারের পাশে মাটির তৈরি গৃহস্থালি সামগ্রীর হাট বসে। এসব কারণে শহীদ মিনারের পাশের সড়কে পথচারী চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ওই সড়কের পাশে পুকুরপারে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে শহীদ মিনারের মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

ধুনট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, উপজেলা পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য