kalerkantho

বুধবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৭। ৫ আগস্ট  ২০২০। ১৪ জিলহজ ১৪৪১

নাটোরে ৩ কোটি টাকার দরপত্রে অনিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

৪ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহীর বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) আওতায় খাল খননকাজের প্রায় তিন কোটি টাকার দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় জুগলি খাল খননকাজের এ দরপত্রটি গত ১৯ মে উন্মুক্ত করা হয়। কিন্তু এখনো সর্বনিম্ন দরদাতাদের কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে এমন টালবাহানা শুরু করছেন বিএমডিএর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।

বিএমডিএ সূত্র মতে, গত ১৬ মার্চ নলডাঙ্গা জুগলি খালের (মীর্জাপুরদিঘী স্লুইসগেট থেকে হলুদঘাট স্লুইস গেট পর্যন্ত) প্রায় আট কিলোমিটার অংশ খননের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক সুমান্ত কুমার বসাক এই দরপত্রটি আহ্বান করেন। এরপর থেকে দরপত্র পেতে আওয়ামী লীগ ও বিএমডিএর কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাদের কাছে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেন ঠিকাদাররা। প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ের এই কাজটি পেতে মাঠে নামেন অন্তত ১৫০ ঠিকাদার। এর মধ্যে প্রভাবশালী ঠিকাদাররা রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার মাধ্যমে গোপনে দরও নিয়ে নেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঠিকাদার বলেন, একটি গ্রুপের সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁকে কাজ দেওয়া হচ্ছে না। কাজটি অন্য কাউকে দেওয়া হবে বলে শোনা যাচ্ছে। মোটা অঙ্কের কমিশন নিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দিতে এভাবে টালবাহানা করছেন বিএমডিএর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। তবে দরপত্র নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করে প্রকল্পের পরিচালক সুমান্ত কুমার বসাক বলেন, ‘গোপনে কাজ দেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। ওপেন পদ্ধতিতে দরপত্র হয়েছে। এখানে যে কেউ অংশ নিতে পেরেছেন। তবে সর্বনিম্ন দরদাতা হলেই যে কাজ পাবেন—তা সঠিক নয়। সর্বনিম্ন দরদাতাদের মধ্যে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে যারটা সঠিক থাকবে তাকেই কাজ দেওয়া হচ্ছে।’

 

মন্তব্য