kalerkantho

সোমবার  । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ৩ আগস্ট  ২০২০। ১২ জিলহজ ১৪৪১

কড়াকড়ির পরও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু

রংপুর অফিস   

২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোরবানির ঈদে ভারতীয় গরু আসবে না। সরকারের এমন ঘোষণায় করোনাকালেও দেশীয় খামারিরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু চোরাই পথে ভারতীয় গরু ঢুকে পড়ায় লোকসানের আশঙ্কায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তাঁরা।

খামারিরা জানান, করোনাকালে এমনিতেই সংকটে আছেন তাঁরা। তবুও কোরবানির ঈদকে ঘিরে স্বল্পসংখ্যক গরু মোটাতাজা করে কিছু লাভের আশা করছিলেন। কিন্তু চোরাই পথে ভারতীয় গরু ঢোকায় লোকসানে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে গরু পাচারকারী বিএসএফের গুলিতে নিহত হন। পাচার হয়ে আসা গরুগুলোকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট দিয়ে বৈধ করে বাজারে বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছেন। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বেশ কিছু ভারতীয় গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোরবানির ঈদকে ঘিরে উত্তরের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে আনছেন ব্যবসায়ীরা। দুই পারের ব্যবসায়ীরা অবৈধ পথে এসব গরু কেনাবেচা করছেন। প্রায় প্রতিদিনই বিএসএফের গুলি উপেক্ষা করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসছে ভারতীয় গরু। খামারিদের ধারণা, ঈদের আগে প্রচুর ভারতীয় গরুর আমদানি হবে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উত্তরের সীমান্ত এলাকা লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী, আউলিয়ারহাট, বাউরা, রসুলগঞ্জ, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমণ্ডপ, ভূরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, নীলফামারীর ডিমলা, চিলাহাটি, দিনাজপুরের হিলি, জয়পুরহাটের টেপরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, রাজশাহীসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে কোরবানির ঈদকে ঘিরে গরু এনে জড়ো করা হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ২০০ গরু আমদানি করা হচ্ছে এসব সীমান্ত এলাকা দিয়ে। কয়েক দিনের মধ্যেই আমদানির সংখ্যা চার গুণ বাড়বে বলে ব্যবসায়ীদের ধারণা।

তবে বিজিবির কুড়িগ্রামের পরিচালক লে. কর্নেল জামাল হোসেন বলেন, ঈদ সামনে রেখে গরু চোরাচালান যাতে না বাড়ে সে জন্য সীমান্তে টহল জোরদার করেছে বিজিবি।

মন্তব্য