kalerkantho

মঙ্গলবার  । ২০ শ্রাবণ ১৪২৭। ৪ আগস্ট  ২০২০। ১৩ জিলহজ ১৪৪১

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

৭ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা পরিস্থিতির কারণে মিটার রিডাররা বাড়িতে গিয়ে বিল না লিখে অফিসে বসেই ইচ্ছেমতো দ্বিগুণ বা তার চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ বিল করেছেন বলে অভিযোগ করেছে গ্রাহকরা। কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কয়েক হাজার গ্রাহকের এমন অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ বিল আসায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের নির্দেশনায় এমন গড় বিল করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন প্রায় ১০ হাজার গ্রাহকের বাড়িতে গত মার্চ এবং এপ্রিল ও কোনো কোনো গ্রাহকের মে মাসেও এমন মনগড়া বিল দেওয়া হয়েছে। অথচ এই তিন মাসের বিল তৈরির জন্য কোনো বিদ্যুৎকর্মী কোনো গ্রাহকের বাড়িতেই যাননি। অফিসে বসে ইচ্ছেমতো এই বিল করা হয়েছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।

কুমারখালী উপজেলার সিবরামপুরের সবদুল শেখ জানান, তাঁর মার্চে বিল আসে দুই হাজার ৪০৬ টাকা আর এপ্রিলে আসে ২২ হাজার ৩৬৮ টাকা। একই এলাকার মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার মার্চ মাসের বিল এসেছে ৪০১ টাকা, কিন্তু এপ্রিল মাসে এসেছে ৭৪৫ টাকা।’ এমন অভিযোগ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দাদাপুর সড়কের প্রফেসর ড. আনারুল করিমের। তাঁর বাসায় মার্চ মাসে এসেছিল এক হাজার ৩৮৯ টাকা, কিন্তু এপ্রিল মাসে তা এসেছে তিন হাজার ৪৫ টাকা। তিনি বলেন, ‘গত মাস থেকে বেশি কেন দিল সেটা আমার বোধগম্য নয়।’

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সোহরাব আলী বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী গড় বিল করা হয়েছে। এতে দুই-চারজনের একটু বেশি বিল হয়েছে। সেটা ঠিক করা হচ্ছে।’

মন্তব্য