kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

অসহায় ব্যক্তিরা পেল জব্দ চাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, হাওরাঞ্চল   

২ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা মূল্যের এক হাজার কেজি চোরাই ও কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করা চাল আদালতের নির্দেশে ত্রাণ হিসেবে বিতরণ করেছে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা প্রশাসন। গতকাল সোমবার বাজিতপুর থানা চত্বরে ১০০ কর্মহীন গরিব-দুখী মানুষের মধ্যে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

প্রশাসন সূত্র জানায়, উপজেলার সরারচরের ডিলার নূরুল ইসলাম খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫০০ কেজি চাল বিক্রি না করে বাজারের বিসমিল্লাহ অটোরাইস মিলে অবৈধভাবে মজুদ করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রশাসন গত ৫ মে এ চাল জব্দ করে। পুলিশ পরে নূরুল ইসলামকে আটক করে। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল হালিমপুর ইউনিয়নের মো. জুয়েল মিয়ার পোল্ট্রি ফার্ম থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আরো ৫০০ কেজি চোরাই চাল জব্দ করে প্রশাসন। পৃথক ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় দুটি মামলা করেন।

বাজিতপুর থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান পাটোয়ারী জানান, ২৩ মে দুটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাজিতপুর থানার দুই এসআই হুমায়ুন কবীর ও মাসুদ রানা কিশোরগঞ্জের বিচারিক হাকিম আদালতে জব্দ চোরাই ও মজুদ করা চাল কর্মহীন মানুষের মধ্যে বিতরণের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে ওই দিনই আদালত মামলার আলামত হিসেবে আড়াই শ গ্রাম করে চাল রেখে বাকি চাল গরিব-দুখী মানুষের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দেন।

পরে গতকাল বাজিতপুর থানা চত্বরে পৌর সদর ও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের তালিকাভুক্ত ১০০ জন সহায়হীন নারী-পুরুষের মধ্যে এই চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাজিতপুর সার্কেল) মো. আমিনুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপ্তিময়ী জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশিকুর রহমান চৌধুরী ও ওসি মো. খলিলুর রহমান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা