kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

ধুনট

পানির নিচে ধান, চিন্তায় কৃষক

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে বগুড়ার ধুনট উপজেলার কমপক্ষে সাড়ে চার হাজার কৃষকের পাকা ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ফসলের এমন অবস্থায় কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

জানা গেছে, এ উপজেলার কৃষক দেরিতে বোরো ধান কাটা, মাড়াই শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে ৯০ শতাংশ জমির ধান কাটা, মাড়াই শেষ হয়েছে। এরপরও প্রায় সাড়ে চার হাজার কৃষকের কমপক্ষে ১৮০ হেক্টর জমির ধান মাঠে পড়ে আছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের শুরু থেকে কয়েক দিনের বর্ষণে নিম্নাঞ্চল নিমজ্জিত হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে কৃষকের পাকা বোরো ধানক্ষেত। এতে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে বোরো ধান চাষিরা।

সরেজমিন উপজেলার মথুরাপুর, খাদুলী, চৌকিবাড়ী, বেলকুচি, চান্দিয়ার, গোপালনগর ও ভান্ডারবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকের বোরো ধান কাটার শেষ মুহূর্তে ভারি বর্ষণে পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। এ ছাড়া ঝড় ও ভারি বর্ষণে অপরিপক্ব আম ও লিচু ঝরে পড়েছে। 

উপজেলার খাদুলী গ্রামের কৃষক ফজলার রহমান বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার কারণে সময়মতো ধান কাটতে পারিনি। এরই মধ্যে ভারি বর্ষণে আমার পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে ধান কেটে কলার ভেলায় বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি।’ একই অবস্থা মথুপুর গ্রামের রহিম উদ্দিনের। তিনি দুই দিন থেকে ধান কাটা শুরু করেছেন কিন্তু ভারি বর্ষণের কারণে ধান কাটা শেষ করতে পারেননি।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক বলেন, ‘এ মৌসুমে প্রায় ৪০ হাজার কৃষক ১৬ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করেন। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ জমির ধান কাটা ও মাড়াই শেষ হয়েছে। এ অবস্থায় আম্ফানের প্রভাব ও অবিরাম বর্ষণে নিম্নাঞ্চলের ১৮০ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এতে প্রায় ৩৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা