kalerkantho

শনিবার । ২০ আষাঢ় ১৪২৭। ৪ জুলাই ২০২০। ১২ জিলকদ  ১৪৪১

সিংড়ায় অতিবর্ষণে জলাবদ্ধতা

ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

নাটোর প্রতিনিধি   

৩১ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২০ গ্রামের কৃষকের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ছবিটি সেরকোল এলাকা থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

সাম্প্রতিক অতিবর্ষণে নাটোরের সিংড়ায় খাল-বিল ভরাট হয়ে পড়ায় ২০টি গ্রামের কয়েক শ হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। অন্যদিকে ক্ষেতের অর্ধেক জমির ধান দিয়েও মিলছে না শ্রমিক।

গত শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, সিংড়া উপজেলার সেরকোল, শ্রীরামপুর, কংশপুর, সোনাপুর, পমগ্রাম, পুঠিমারী, কুশাবাড়ী, খাগোরবারিয়া, নতুনপাড়া, বড়শাঐল, পাটশাঐল, হাজীপুর, শৈলমারী, ধুলাউরিসহ ২০টি গ্রামের হাজার হাজার কৃষকের কষ্টে অর্জিত বোরো ফসল কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসে মাটিতে শুয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেতের উঠতি ফসল পানিতে নিমজ্জিত।

সিংড়া পুঠিমারী গ্রামের কৃষক মো. মোক্তার আলী বলেন, ‘বিঘাপ্রতি আট থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করে সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করেছিলাম। ফলনও হয়েছিল ভালো। ঈদের আগে ১২ জন শ্রমিক নিয়ে ধান কেটে ফেলি। কিছু ধান কেটে জমিতেই রেখে দিই। দু-এক দিন রোদ পেলে একটু রস টানলে ঘরে তোলার প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টিতে আমার কাটা ধান পানিতে ডুবে গেছে। অনেক ধানে গাছ গজিয়েছে।’

সোনাপুরের কৃষক হোসেন জানান, তিনি ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু ঝোড়ো বাতাসে জমির পাকা ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেতের ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়ে রয়েছে। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া কিছুই করার নেই।

এ বিষয়ে সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘সিংড়া উপজেলায় বোরো আবাদ হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ২৩০ মেট্রিক টন। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।’

মন্তব্য