kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

বৃষ্টি হলেই সড়কে হাঁটু পানি

সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরে এক কিলোমিটার সড়ক সংস্কার হয়নি দীর্ঘদিনেও

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি   

৩০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরের ব্যস্ততম এলাকার কয়েকটি সড়কে সামান্য বৃষ্টি হলেই জমে যাচ্ছে হাঁটু পানি।

বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতায় সড়কটি হয়ে পড়েছে চলাচলের অনুপযোগী। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে পৌরবাসী। কাদা-পানিতে ডুবে থাকা সড়ক দেখে মনে হয় মরা খাল। এতে অসাবধানতায় গর্তে পড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, পৌরসভার পূর্ব বাইপাস মোড় থেকে বাহির গোলা মসজিদ মোড় হয়ে থানার সামনে দিয়ে মীরগঞ্জ বাজার পর্যন্ত চলে গেছে এ সড়ক। প্রায় এক কিলোমিটার এ সড়ক দীর্ঘদিনে সংস্কার হয়নি। বিভিন্ন স্থানে খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে গর্ত। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। পানি নিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণকাজ শুরু হলেও তা শেষ না হওয়ায় পানি জমে উপচে পড়ে সড়কে।

এতে জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে সোনালী ব্যাংক মোড়, বাহির গোলা মসজিদ মোড়, আইডিয়াল লাইব্রেরির সামনের বেশ কিছু জায়গা। অন্যদিকে পশ্চিম বাইপাস থেকে হাসপাতাল সড়কের প্রায় আধা কিলোমিটারের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দে ভরা। জরুরি প্রয়োজনে রোগী বহনকারী যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে হেলেদুলে এ পথে চলাচল করে। সড়কটিতে নগর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান হলেও পানি নিষ্কাশনে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই জমে যায় হাঁটু পানি। এতে দীর্ঘ যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে পৌরবাসীকে। বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে বাজার ও হাজি দবির উদ্দিন কেজি স্কুলের রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে মাটির স্তূপ নেমে আসায় সড়কজুড়ে কাদার ছড়াছড়ি। এ কারণে যানবাহন বা পথচারী চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বাহির গোলা মসজিদ মোড় ও সোনালী ব্যাংকের সামনের অংশে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনে ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা আরো বাড়ছে।’

সামছুল হক নামের আরেকজন বলেন, পুরো রাস্তায় খানাখন্দ আর পানি জমে থাকায় হেঁটে যেতে সমস্যা হয়। অনেক সময় ময়লা পানি লেগে পোশাক নষ্ট হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও পৌর মেয়র আব্দুল্ল্যাহ আল-মামুন ধরেননি। তবে এর আগে তিনি বলেছিলেন, ‘রাস্তাগুলোর পানি নিষ্কাশন করতে ড্রেন নির্মাণকাজ চলমান। আর সড়ক সংস্কার করতে নতুন করে দরপত্র হয়েছে। ড্রেন নির্মাণ শেষ হলেই রাস্তার কাজ শুরু করা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা