kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

গুরুদাসপুরে আ. লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, গুলি মামলায় আসামি ৬০

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি   

২৯ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোরের গুরুদাসপুরে ত্রাণ বিতরণ নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়াধাওয়ি এবং বাড়িঘর ভাঙচুর ও গোলাগুলির ঘটনায় ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এ ঘটনায় গত বুধবার দুপুরে চেয়ারম্যানের গাড়িচালক মতিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ৫ নম্বর ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি বজলু সরদারের সঙ্গে বিন্যাবাড়ি বাজারে ত্রাণ বিতরণকে ইস্যু করে বাগিবতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। এতে আব্দুল মতিন চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত হন। এ ঘটনার পরপরই চেয়ারম্যান গ্রুপ ও বজলু গ্রুপের মধ্যে ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটে। এ সময় বজলুর বাড়িতে হামলা চালিয়ে টিনের চালা ও দরজা ভেঙে দেওয়া হয় এবং কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করা হয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে ওঠে বিন্যাবাড়ি জনপদ।

ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিপেটা করে। এ সময় চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তাঁর গাড়িচালক মতিনসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় আনা হলেও রাত ৮টার দিকে চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের ভাতিজা মিল্টন বলেন, ‘সরকারি ত্রাণ তালিকার বাইরে চেয়ারম্যানের কাছে অতিরিক্ত ত্রাণ দাবি করেন বজলু। কিন্তু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, বিভিন্নভাবে কুৎসা রটাতে থাকেন বজলু। সবশেষ ঘটনার দিন চেয়ারম্যান বিন্যাবাড়ি বাজারে গেলে বজলু তাঁর লোকবল নিয়ে চেয়ারম্যানের ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।’ বজলু সরদার বলেন, ‘ত্রাণ বিতরণের বিষয় নিয়ে চেয়ারম্যান মতিন ও তাঁর চালকের সঙ্গে বাগিবতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যানের লোকজন পিস্তলসহ হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট করে। আর চেয়াম্যানকে ত্রাণ নিয়ে কোনো অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।’

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বজলু সরদারের বাবা ইসমাইল সরদার থানায় বাদী হয়ে ২৫ জনসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা