kalerkantho

বুধবার । ২৪ আষাঢ় ১৪২৭। ৮ জুলাই ২০২০। ১৬ জিলকদ  ১৪৪১

গাইবান্ধা ও দিনাজপুরে ঈদ কেনাকাটায় ভিড়

গাইবান্ধা ও পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

২৩ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গাইবান্ধা ও দিনাজপুরে ঈদ কেনাকাটায় ভিড়

দিনাজপুরের পার্বতীপুর শহরে ঈদের কেনাকাটায় উপচেপড়া ভিড়। করোনা সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও তা মানা হচ্ছে না। ছবি : কালের কণ্ঠ

তিন দিন বন্ধ রাখার পর গতকাল শুক্রবার গাইবান্ধায় আবারও দুই দিনের জন্য খুলেছে দোকানপাট ও শপিং মল। স্বল্পকালীন এই ঈদ কেনাকাটায় চলছে উৎসবের আমেজ। মার্কেটগুলোতে মানুষের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে করোনাসংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি ব্যবসায়ীরা রক্ষার চেষ্টা করলেও ক্রেতারা তা তেমন মানছেন না।

গাইবান্ধায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত সোমবার জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধসংক্রান্ত জেলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেদিনই বিকেল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দিন জেলার সব দোকানপাট, মার্কেট বন্ধ রাখা হয়।

ব্যবসায়ী নেতারা জানান, গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র, গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, জেলা দোকান মালিক সমিতি, জেলা দোকান কর্মচারী সমিতিসহ অন্যদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বেচাকেনা করা হবে বলে ব্যবসায়ী নেতারা আশ্বস্ত করেন। তাঁদের আর্থিক ক্ষতির কথা এবং অসহায় হয়ে পড়া কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করে আবারও গতকাল ও আজ (শনিবার) দুই দিনের জন্য দোকানপাট ও মার্কেট খোলা হয়। তবে এই সময় অন্যান্য বিধিনিষেধ যথারীতি বলবৎ থাকবে।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মাকসুদার রহমান শাহান বলেন, দীর্ঘদিন দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ী ও তাঁদের কর্মচারীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। নানা দিক বিবেচনায় আবারও দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শহর-গ্রাম সর্বত্র ঈদের কেনাকাটায় উপচে পড়া ভিড় চলছে। তবে উপজেলাজুড়ে বস্ত্রবিতান, জুতা, কসমেটিকসের দোকানগুলোতে এবার কোনো পণ্যের গায়েই মূল্য তালিকা না থাকায় ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের রামরায়পুর গ্রামের গৃহবধূ হাফিজা খাতুন। গত শুক্রবার তাঁর তিন ছেলেমেয়ে নিয়ে এসেছিলেন নতুন বাজারে। তাঁর ক্রয় তালিকায় ছিল দুটি থ্রিপিস, একটি করে প্যান্ট, শার্ট, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি। তিন ছেলেমেয়ের জুতা, স্যান্ডেল ও কসমেটিকসামগ্রী। বাজারে ধানের দাম কমে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ তিনি আরো বলেন, সারা বছর অল্প অল্প করে কিছু টাকা জমিয়ে রাখেন ঈদে কেনাকাটার জন্য। কিন্তু দোকানদার, ব্যবসায়ীদের অতিমাত্রায় লোভের কারণে সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে গেছে। লাগামছাড়া দাম চাওয়ায় সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সমন্বয় হয়নি। এ কারণে চাহিদার অর্ধেক কাটছাঁট করতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. শাহনাজ মিথুন মুন্নী বলেন, দোকানে সব পণ্যের মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখার নিয়ম আছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা