kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

নীলফামারীতে চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত

হাসপাতাল লকডাউন চিকিৎসাসেবা বন্ধ

কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু আছে, রোগীদের এসব ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে

নীলফামারী প্রতিনিধি   

৯ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় লকডাউন হওয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা ১৯ রোগীসহ চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও হাসপাতাল চত্বরের আবাসিক সদস্যদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। একজন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হলে গত মঙ্গলবার বিকেলে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি লকডাউন করা হয়। এরপর থেকে সেখানে নতুন কোনো রোগীর ভর্তি ও বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখা হয়।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, ওই কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকসংখ্যা ১৫০। এর মধ্যে ৯ জন চিকিৎসক, ১৯ জন নার্স, ১৯ জন রোগী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিকে থাকা লোকজন মিলে ১০০ জন রয়েছে। বাকি ৫০ জন হলো ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে ফেরত যাওয়া রোগী ও তাদের স্বজনরা।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু শফি মাহমুদ এই তথ্য জানিয়ে বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীর চিকিৎসা কার্যক্রম চালু আছে। তবে নতুন রোগী ভর্তি ও বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু আছে, রোগীদের এসব ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে। আক্রান্ত চিকিৎসক বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। গত বুধবার কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের মধ্য থেকে ১৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গত ২৫ মার্চ ঢাকার নিজ বাড়িতে যান ওই চিকিৎসক। পরে ৩ এপ্রিল কর্মস্থলে ফিরে কাজে যোগ দেন। এরপর জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে ৫ এপ্রিল তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত মঙ্গলবার বিকেলে তাঁর করোনা পজিটিভের খবর আসে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে।

সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মণ বলেন, যেহেতু ওই চিকিৎসক চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি লকডাউন করা হয়েছে। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক-নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ আবাসিকে থাকা লোকজনকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা