kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

হাতীবান্ধায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাতীবান্ধায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ছবিতে আহত নারীর হাত। ছবি : কালের কণ্ঠ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ সময় এক নারী ইউপি সদস্যসহ তিনজন আহত হন। আহতরা হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য মাজেদা বেগম, গৃহবধূ সাজেদা বেগম ও শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার।

জানা গেছে, উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবি গ্রামের সফিয়ার রহমানের সঙ্গে বাড়ির সীমানপ্রাচীর নির্মাণ করার সময় স্থানীয় মসজিদ কমিটির বিবাদ সৃষ্টি হয়। পরে কাজ বন্ধ করে থানায় অভিযোগ করেন সফিয়ার। অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই মাহফুজ। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বিষয়টি তদন্ত করতে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে বাগিবতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা পুলিশের ওপর হামলা চালালে পুলিশ এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে স্থানীয়দের মারধর করে। এ সময় চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশে তাদের রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

আহত ইউপি সদস্য মাজেদা বেগম বলেন, ‘পুলিশ অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে আমার বাড়ি ভাঙচুর করে। আমি বাধা দিলে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।’ অভিযোগকারী সফিয়ার রহমান বলেন, ‘বাড়ির সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে বাধা দেয় স্থানীয়রা। তাই আমি থানায় অভিযোগ করি। এর বেশি কিছু জানি না।’

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক মাহাফুজ বলেন, ‘আমরা কোনো মারধর কিংবা ভাঙচুর করিনি। স্থানীয়রাই আমাদের ওপর হামলা করেছে।’ হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক নজির হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা