kalerkantho

রবিবার। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৭ জুন ২০২০। ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

চট্টগ্রামে ত্রাণ না পেয়ে আবারও বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৩ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামে ত্রাণ না পেয়ে আবারও বিক্ষোভ

ত্রাণ না পেয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থানা এলাকায় গতকাল আবারও বিক্ষোভ করেছেন দুস্থরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামে ত্রাণ না পেয়ে আবারও বিক্ষোভ করেছে একদল দুস্থ মানুষ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর বন্দর থানার সামনে এই বিক্ষোভ করে তারা। তাদের ভাষ্য, পুলিশ ত্রাণ দেওয়ার জন্য তাদের খবর দিয়েও পরে ত্রাণ দেয়নি। এর আগে নগরীর খুলশী থানার জিইসির মোড় এলাকায় বাটা গলির সামনে সড়ক অবরোধ করা হয়।

এর আগে গত বুধবার অবরোধের আগে বাটা গলিতে ত্রাণ বিতরণ করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা আরশেদুল আলম বাচ্চুর পক্ষে। সেখানে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল উপস্থিত ছিলেন। তিনি চলে যাওয়ার পর বিক্ষোভ হয়। আর গতকাল বিক্ষোভ হয়েছে খোদ বন্দর থানা কম্পাউন্ডে। সেখানে নগর পুলিশ কমিশনার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করে ফেরার পর একদল লোক বিক্ষোভ করে।

এর আগে নগর পুলিশের জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিন পুলিশ কমিশনারের উদ্যোগে দুস্থ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে নগর পুলিশের বন্দর বিভাগের চারটি থানা এলাকায় তিন হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই কার্যক্রম বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উদ্বোধন করেন নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।

একই বিষয়ে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (বন্দর) আরেফিন জুয়েল বলেন, প্রতিটি প্যাকেটে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, সাবান ইত্যাদি রয়েছে। কমিশনার স্যার উদ্বোধন করার পর পুলিশ রাতে মানুষের বাড়ি গিয়ে পর্যায়ক্রমে এসব সামগ্রী পৌঁছে দেবে।

বন্দর থানার ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, ‘কমিশনার স্যার উদ্বোধন করে চলে যাওয়ার পর কিছু লোক হঠাৎ থানা কম্পাউন্ডে জড়ো হয়। নিজস্ব উদ্যোগ এবং সহৃদয় ব্যক্তিদের সহযোগিতা নিয়ে পুলিশ কিছু পরিবারকে খাদ্য সহযোগিতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এসব সহায়তা দুস্থদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। তাই থানা থেকে খাদ্য সহায়তা বিতরণের কোনো সিদ্ধান্ত পুলিশের ছিল না। এর পরও যারা চলে এসেছে, তাদের বুঝিয়ে থানা কম্পাউন্ড থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, আসলে মানুষ খাদ্যকষ্টে পড়েছে। বিষয়টি মানবিক। এ কারণে সবাইকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা