kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

অনিয়মের অভিযোগ

তাড়াশে রাস্তার কাজ বন্ধ

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস আতঙ্কে মানুষের গৃহবন্দি থাকার সুযোগে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিনোদপুর-খড়খড়িয়া রাস্তা নির্মাণে অতি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

এদিকে সামাজিক নিরাপত্তা বজায় না রেখে প্রায় অর্ধশতাধিক নির্মাণশ্রমিক একই স্থানে কাজ করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এলাকার অনেকে।

উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এক হাজার ১৪৪ মিটার রাস্তার নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় জালাল কনস্ট্রাকশন। পরে কাজটি কিনে নেয় পাঠান কনস্ট্রাকশন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইতিমধ্যে বিনোদপুর-খড়খড়িয়া রাস্তায় প্রায় ৭০ ভাগ অতি নিম্নমানের ইটের খোয়া ফেলা হয়েছে। বাকি ৩০ ভাগের জন্যও ট্রাকে করে একই রকম খোয়া আনা হচ্ছে। সেখানে দল বেঁধে কাজ করছেন অনেক শ্রমিক।

স্থানীয় সুলতান মাহমুদ, রমজান আলী, আবদুস সবুর, কাজেম উদ্দিন, শাজাহান মিঞা, রহিম মণ্ডল, আব্দুর রশিদ অভিযোগ করেন, করোনাভাইরাসের কারণে লোকজন ঘর থেকে খুব একটা বের হচ্ছে না। এই সুযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে অধিকসংখ্যক শ্রমিক লাগিয়ে তড়িঘড়ি রাস্তার কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে স্থানীয় সাংবাদিকরা নির্মাণাধীন রাস্তা দেখতে এসেছেন জেনে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সার্ভেয়ার নাজমুল হাসান ছুটে যান। তিনি গিয়ে তৎক্ষণাৎ রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি বলেন, উপজেলায় এমন নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে আর একটি রাস্তাও তৈরি হয়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পাঠান কনস্ট্রাকশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার মমিন পাঠান বলেন, সামান্য কিছু নিম্নমানের ইটের খোয়া দেওয়া হয়েছিল। তা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী বাবলু মিঞা বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিনোদপুর-খড়খড়িয়া রাস্তা থেকে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা