kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল

সরঞ্জাম নেই, তবু বিশেষায়িত ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

৩১ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা চিকিৎসার জন্য বগুড়া সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ এই হাসপাতালে নিবিড় সেবা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও ডিজিটাল এক্স-রে নেই। নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার। চিকিৎসকদের রক্ষাকবচের (পারসোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) সংকট রয়েছে। এসব আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আবশ্যক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে গত ২৩ মার্চ দুপুর ১টার মধ্যে খালি করা হয়। ওই দিন বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি রোগীদের ছাড়পত্র ও অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ছাড়া বহির্বিভাগের রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর ২৪ ও ২৫ মার্চ হাসপাতালটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দুই মিটার পর পর শয্যা বসানো হয়। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনাভাইরাস সন্দেহভাজন রোগীদের ২৬ মার্চ থেকে ভর্তি নেওয়া হবে। আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের ৩০ সদস্যের একটি প্যানেল করা হয়েছে। যারা পর্যায়ক্রমে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পর ব্যক্তিগত কোয়ারেন্টিনে যাবেন।

স্থানীয় সূত্র আরো জানায়, এই হাসপাতালে গত রবিবার পর্যন্ত করোনাভাইরাস সন্দেহে কাউকে ভর্তি করা হয়নি। আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য শুধু ১২০টি শয্যা তৈরি রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের রক্ষাকবচ আছে ৪০০টি (একবার ব্যবহারের জন্য)। হাসপাতালের পাঁচটি অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং খালি ৩০টি সিলিন্ডার রয়েছে। আর কোনো সরঞ্জাম নেই। এ ছাড়া কভিট-১৯ রোগীদের জন্য মাত্র দুজন চিকিৎসক রয়েছেন।

এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নুরুজ্জামান সঞ্জয় জানান, কভিট-১৯-এর জন্য এই হাসপাতালটিকে জেলার পক্ষ থেকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০ জনের একটি চিকিৎসক প্যানেলও রয়েছে। এদের মধ্যে দুজনের কভিট-১৯-এর প্রশিক্ষণ রয়েছে।  চিকিৎসকরা কেউ যদি ৪৮ ঘণ্টা সেবা দেন এরপর তিনি ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিক আমিন কাজল জানান, হাসপাতালকে করোনা ইউনিট হিসেবে প্রস্তুত করার পর চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। সরঞ্জাম পাওয়া গেলে আরো ভালোভাবে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব।

এদিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ওয়াদুদ জানান, এখানে ১৪টি শয্যা কভিট-১৯-এর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা