kalerkantho

সোমবার । ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ১  জুন ২০২০। ৮ শাওয়াল ১৪৪১

ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি চাল বিতরণে অনিয়ম

মেহেরপুরে জিআর-এর চাল চুরির অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও ও মেহেরপুর প্রতিনিধি   

৩১ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঠাকুরগাঁওয়ে উেকাচের বিনিময়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আলালের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। গত রবিবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণের সময় প্রকৃত হতদরিদ্র কার্ডধারীদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

তাদের অভিযোগ, প্রকৃত হতদরিদ্রদের বাদ দিয়ে সচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকে জনপ্রতি দেড় থেকে দুই হাজার টাকা নিয়ে তাদের নতুন করে কার্ড দিয়েছেন চেয়ারম্যান। এ সময় চেয়ারম্যানের এই অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আলাল হতদরিদ্রদের বাদ দিয়ে তাঁর পছন্দের সচ্ছল ব্যক্তি ও দলীয় কর্মীদের নাম তালিকাভুক্ত করেন। এ জন্য তাদের কাছ থেকে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা নিয়েছেন। এতে তালিকায় থেকে বাদ পড়ে প্রকৃত হতদরিদ্ররা।

জগন্নাথপুর ইফনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কার্ডবঞ্চিত হতদরিদ্র লুৎফর রহমান জানান, তিনি একজন ফেরিওয়ালা। ডাব বিক্রির টাকা দিয়ে খুব কষ্ট করে সংসার চলান। নতুন তালিকায় নাম উঠানোর জন্য চেয়ারম্যান তাঁর কাছে দুই হাজার টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর পক্ষে টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই নতুন তালিকায় তাঁর নাম ওঠেনি।

কার্ডবঞ্চিত ঘনশ্যাম, মনোয়ারা বেগম, রিনি বালা, মরিয়ম বেগম, ফাতেমা বেগম, তহুরা খাতুন একই অভিযোগ করে বলেন, এভাবে কার্ড বাতিলের কারণে তাঁদের খুব সমস্যায় পড়তে হবে। এ সময় প্রতিবন্ধী সাইদুল ইসলাম কার্ড বাতিলের কথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আলাল বলেন, ‘নিয়ম মেনেই কিছু মানুষের নাম বাতিল করা হয়েছে। তবে নতুন কার্ডের জন্য কারো কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়নি।’

এদিকে মেহেরপুরে বিশেষ বরাদ্দের (জিআর) চাল জেলা প্রশাসকের অফিসের ওমেদার মহিদুরের বাড়িতে পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী ২৮ বস্তা চালের কথা বলে অভিযোগ করলেও তাঁর বাড়িতে গিয়ে পাওয়া গেছে ৯ বস্তা চাল। তবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ১৬ বস্তা চাল পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন। তবে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, তাঁকে ৫০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে সদর উপজেলার চকশ্যামনগর গ্রামের নৈশপ্রহরী শহিদ আলীর বাড়িতে এ চালগুলো পাওয়া যায়। ওমেদার মহিদুর রহমান শহীদ আলীর ছেলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা