kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৬  মে ২০২০। ২ শাওয়াল ১৪৪১

কুড়িগ্রাম

সামাজিক দূরত্ব মানছেন না বেশির ভাগ চরবাসী

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

৩০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র আর দুধ কুমারসহ ১৬টি নদ-নদী তীরবর্তী চার শতাধিক চরের বেশির ভাগ চরে করোনাভাইরাসের ভীতি উপেক্ষা করে স্বাভাবিক কাজকর্ম চলছে। দুর্গম এলাকার হাট-বাজারে জনসমাগম হচ্ছে যথারীতি। বরং ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কাজ করা বিপুলসংখ্যক মানুষ বাড়ি ফিরে আসায় জমজমাট এসব হাট-বাজার। প্রাণঘাতী ওই রোগ সম্পর্কে চরাঞ্চলের মানুষের সচেতনতার অভাব আর সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও প্রশাসনের প্রচারণার অভাবে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।  

সম্প্রতি সরেজমিনে জানা যায়, ধরলা তীরবর্তী আরডিআরএস, বাংলাবাজার, খোকারবাজারসহ কয়েকটি বাজারের দোকানপাট খোলা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নাগেশ্বরীর কচাকাটায় সামাজিক দূরত্ব মানছেন না অনেকেই। অলিগলিতে চলছে আড্ডাবাজি। কোথাও কোথাও শিশু-কিশোর ও যুবকদের খেলতে দেখা গেছে।

আরডিআরএস বাজারের ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, ‘দোকানপাট আগের মতোই খোলা। ঢাকা থেকে অনেকেই বাড়িতে চলে এসেছে। তাই জনসমাগম আর কেনাকাটা অনেক বেড়েছে। স্থানীয় সংগঠন সারডোবের আলো একদিন মাইকিং করেছে। তবে সাধারণ মানুষ তাতে সচেতন হয়নি।’ 

খোকার বাজারের (রোহিঙ্গা বাজার) মুদি দোকানদার আশরাফুল বলেন, ‘ছোট বাজার, তাই কেউ আসেনি। আমরাই মসজিদে লোকজনকে সজাগ করেছি।’ 

সারডোব গ্রামের সমাজকর্মী এনামুল হক বলেন, ‘চরের মানুষ কৃষিকাজ, মাছ ধরা, হাট-বাজার সব স্বাভাবিকভাবে করছে। বেশির ভাগ লোক মনে করছে, করোনা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য রহিমুদ্দির রিপন বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্র পারের যাত্রাপুর, নারায়ণপুর ও মোল্লারহাট সপ্তাহে দুই দিন যথারীতি চলছে। ঢাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে গেছে। এরা নিয়ম-কানুন মানতে চায় না। হাটে-বাজারে-রাস্তায় ঘোরাঘুরি আর আড্ডা দেয়।’

এ বিষয়ে কচাকাটা থানার ওসি মামুন-অর-রশীদ বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।’ 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা